| শিরোনাম |
|
নির্বাচনের বিরোধিতা করা ভারতের দালালির সামিল : কর্নেল (অব:) অলি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() নির্বাচনের বিরোধিতা করা ভারতের দালালির সামিল : কর্নেল (অব:) অলি তিনি বলেন,প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলেনর কাছে আমার বক্তব্য নির্বাচনটা যেন সুষ্ঠু হয়, যেটার জন্য বিগত ১৫ বছর আমরা অপেক্ষা করছি, নির্বাচন ব্যাহত হয় এধরনের কোনো বক্তব্য দেয় শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার সামিল। হাসিনার দালাল হিসেবে আমরা চিণ্হিত হব। ভারতের পক্ষে যারাই পদক্ষেপ নেবে, তারা ভারতের দালাল হিসেবে চিণ্হিত হবে। জনগণ ভারতকে আর চায় না। বাংলাদেশে ওদের অধিপত্য হোক, এটাও চায় না। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ ভারতের বিরুদ্ধে নয়। আমরা ভারতের কোনো ক্ষতি হয়, বাংলাদেশের জনগণ কখনই এটা চায় না। কারণ, আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি। ইসলাম ধর্ম বলে, অন্যের কোনো ক্ষতি হয় এমন কাজ করবে না।Bangladeshi cuisine তিনি বলেন, আমরা চাই প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেন একটা সৌহার্দ্য থাকে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পিআর পদ্ধতি এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। জামায়াতে ইসলামীর লোকেরা সবাই শিক্ষিত এবং শত শত ডক্টরেট ডিগ্রি হোল্ডার আছে। তাদেরকে আমরা অনুরোধ করে বলব, অযথা সমস্যা সৃষ্টি না করে, সবার সাথে মিলে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। জনগণ যাদের সমর্থণ দেবেন, তারাই নির্বাচিত হবেন। তিনি বলেন, পৌরসভার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বদলির আদেশ অমানবিক। তারা বর্তমানে যে বেতন পান, তাদের সংসার চালিয়ে নিতে কষ্ট হয়। নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করতে না পারলে তাদের পক্ষে দুই জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করা সম্ভব নয়। অনতিবিলম্বে এটি বন্ধ করা উচিত। বরং দুর্নীতিবাজদের চিন্হিত করুন। তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করুন। বদলি করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। বিভিন্ গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ বিদেশ থেকে আনার দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা কর্মচারিদের চাকরিচ্যুত করছে। যেমন : এস আলম। তিনি হয়তো ২৪ বিলিয়ন বা ৩০ বিলিয়ন টাকা নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে। কর্মচারীদেরতো এত কোনো দোষ নেই। যদি দোষ থাকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বরখাস্ত করেন, তাদের জেলে দেন। কারো কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু বিনা কারণে তাদেরকে চাকরিচ্যুত করবেন, বেকার সমস্যা আরও বেড়ে যাবে। এটা দেশের জন্য কখনো কাম্য হতে পারে না। যেখানে আমি একজন লোকের চাকরি দিতে পারছি না, বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আসছে না, সেখানে চাকরিচ্যুত করা ইউনূস সরকারের কাজ নয়। তিনি বলেন, গত এক বছরে কতজন লোককে চাকরি দিয়েছেন এবং কতজন লোককে ব্যাংক থেকে বের করে দিয়েছেন, এই ব্যাপারে অর্থ উপদেষ্ঠার বক্তব্য আশা করছি। অনদিকে দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও শেখ হাসিনার দালালেরা বহাল তবিয়তে আছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। কারণ, তারা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নিজ নিজ পজিশনে আছে। অনেক উপদেষ্টা নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। তাদের কাছে জনগণ কী চাচ্ছে এবিষয়ে তারা কিছু ভাবছেন না। বরং ভাবছেন কিছুদিনের জন্য এসেছি, একটু মজা করে নিই। অলি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এটা ম,জা করার জায়গা না। |