| শিরোনাম |
|
ভারতে বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়: আসিফ নজরুল
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() ভারতে বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়: আসিফ নজরুল সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভারতে গত ১৬ মাস ধরে যে বাংলাদেশবিরোধী পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে সেখানে নিরাপদভাবে ক্রিকেট আয়োজন করা সম্ভব নয়। আসিফ নজরুল বলেন, “বিসিসিআই যখন উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নত করে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেয়, তখন আর কোনো প্রমাণের প্রয়োজন থাকে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, ক্রিকেটের ওপর কারও খবরদারি থাকা উচিত নয় এবং বাজার ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে কোনো টুর্নামেন্টের ভাগ্য নির্ধারিত হতে পারে না।” নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ইতোমধ্যে ভারতের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কাকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে আইসিসি ভারতের ভেতরেই চেন্নাই ও তিরুবনন্তপুরমকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করতে পারে—এমন গুঞ্জন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, “চেন্নাই বা তিরুবনন্তপুরম তো ভারতেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের কথা পরিষ্কার—ভারতের কোনো জায়গাতেই এখন খেলার পরিবেশ নেই। যদি ভেন্যু বদলাতেই হয়, তবে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান কিংবা আরব আমিরাতে করা হোক, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।” আইসিসিকে উদ্দেশ করে উপদেষ্টা বলেন, “আইসিসি যদি সত্যিই একটি বৈশ্বিক সংস্থা হয়ে থাকে এবং ভারতের কথায় পরিচালিত না হয়, তবে তারা বাংলাদেশের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে।” জানা গেছে, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যে বিসিবির আবেদনের বিষয়ে আইসিসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে। একই সঙ্গে আইসিসি থেকে পাঠানো নিরাপত্তা ঘাটতি সংক্রান্ত একটি চিঠির কথাও উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল, যা শিগগিরই সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বিসিসিআইয়ের পরামর্শে অব্যাহতি দেওয়ার পর থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। বর্তমান সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সেখানে যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপ শুরুর আর চার সপ্তাহেরও কম সময় বাকি রয়েছে। |