| শিরোনাম |
|
দুদকের ফাঁদে ধরা বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কর্মচারী
বাঁশখালী ( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি::
|
![]() দুদকের ফাঁদে ধরা বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কর্মচারী দুদক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ভাতা ও পেনশনের সরকারি টাকা ছাড় করিয়ে দেওয়ার নামে ভুক্তভোগীকে হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠে শাহ আলমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আ ন ম মুদ্দাছেরুল হক মাসুদ—উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সাবেক অফিস সহায়ক কাম নিরাপত্তা প্রহরী—দুদকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদকের অনুমোদনক্রমে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), চট্টগ্রাম–২ এর একটি টিম বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) ফাঁদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণকালে শাহ আলমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও তিনি একটি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ফাঁদ অভিযানটি পরিচালনা করেন দুদক সজেকা, চট্টগ্রাম–২ এর সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ (টিম লিডার)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, আবুল হাসান ও সুরাইয়া সুলতানা। দুদক সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শাহ আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “শাহ আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আমি আগে থেকে কিছু জানতাম না। আজ দুদক এসে জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন—এই বিবেচনায় অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শাহ আলম ব্যক্তিগতভাবে একজন ভালো কর্মচারী ছিলেন।# |