| শিরোনাম |
|
শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বড়রিয়ার ঘোড়দৌড় মেলা
মহম্মদপুর(মাগুরা)ণপ্রতিনিধি,
|
![]() শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বড়রিয়ার ঘোড়দৌড় মেলা বড়রিয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান সর্দার জানান, প্রায় শত বছর আগে বড়রিয়া গ্রামের সানু সর্দারের ঘোড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতো। তার ঘোড়ার নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বাংলা ২৮ পৌষ মাগুরা সদরের বাহরবা মেলায় তার ঘোড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেও পক্ষপাতিত্ব করে হারিয়ে দেওয়া হয়। ক্ষোভে তিনি নিজ গ্রামে একই দিনে ঘৌড়দৌড় মেলার আয়োজনের ঘোষণা দেন। সেই থেকে এই গ্রামে প্রতি বছর ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রথম দিকে মেলায় আশা দর্শনার্থীদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতেন সানু সর্দার। বড়রিয়া মেলার নামডাক চারদিক ছড়িয়ে পড়ে। দিনদিন মেলার পরিসর বাড়তে থাকে। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে প্রায় তিন বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বসেছে মেলার স্টল। মৃৎশিল্প, কাঠ-বাঁশ, প্রসাধনী, বেত আসবাবপত্র, তৈজষপত্র, মিষ্টি, মাছসহ রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছে কয়েক শত দোকান। এ সকল দোকান ঘিরে হাজারো ক্রেতা ভিড় করছেন মেলায়। মাগুরাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার লোক সমাগম হয় এই মেলায়। মূল মেলা একদিন হলেও মেলার আগে ও পরে পক্ষ কালব্যাপী চলে মেলার বেচা-কেনা। মেলার মূল আকর্ষণ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খাঁন বাচ্চু ও সাধারন সম্পাদক জনাব শাহজাহান আলী সরদার জানান, কোন ধরনের অসঙ্গতি বা দুর্ঘটনা ছাড়াই আমাদের মেলা উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি এবং এবছর ঘোড়ার উপস্থিতিও ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে অতিথিরা পুরস্কার তুলে দেন। ঐতিহ্য আনন্দ ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত এই আয়োজন স্থানীয় মানুষের মাঝে নতুন উদ্দপনা সৃস্টি করে। মেলায় আসা লোকজনের ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য মেলা কমিটির প্রায় এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেঅত্র এলাকার জনগণ জামাই মেলা হিসেবে এটিকে প্রাধান্যদিয়ে থাকেন। |