| শিরোনাম |
|
ইজিপিপি প্রকল্পে ‘ঘর কা’ লুটে বনের ডাকাতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
গনকণ্ঠ প্রতিবেদক (ময়মনসিংহ)
|
![]() ইজিপিপি প্রকল্পে ‘ঘর কা’ লুটে বনের ডাকাতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার ৮৯৭ জন শ্রমিকের বিপরীতে মোট ৩ কোটি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১১ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে কাজ শুরুর কথা থাকলেও কয়েকটি ইউনিয়নে কাজ শুরু হয়নি। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রমিকদের নামে প্রথম ২০ দিনের বিল উত্তোলন করা হয়। অভিযোগকারী রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া গ্রামের মো. হেলাল উদ্দিন অভিযোগপত্রে দাবি করেন, শ্রমিকদের প্রকৃত মোবাইল নম্বর ব্যবহার না করে ভুয়া সিম দিয়ে মাস্টাররোল তৈরি করা হয়। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট শফিকুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে কয়েক শ’ মোবাইল সিম সংগ্রহ করে সেগুলো ব্যবহার করে বিল উত্তোলন করেন। উত্তোলিত টাকার একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, সিরতা, রাজিবপুর, আঠারবাড়ি ও মাইজহাটি ইউনিয়নে প্রথম ২০ দিনের বরাদ্দ পুরো টাকাই আত্মসাৎ করা হয়। সর্বোচ্চ ১০–২০ দিনের শ্রম দেখিয়ে দুই দফায় বিল উত্তোলন করা হয়েছে। বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও প্রকৃত শ্রমিকরা কোনো কাজ হয়েছে তা জানেন না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজিবপুর ইউনিয়নে ১৬৭ জন ও মাইজহাটি ইউনিয়নে ২০৮ জন শ্রমিকের ২০ দিনের মজুরির বরাদ্দ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নন-ওয়েজ খাতে বরাদ্দ ৫ শতাংশ অর্থ প্রকল্প চেয়ারম্যানদের পাওয়ার কথা থাকলেও তারা তা পাননি। ভুয়া বাঁশ ও ভুয়া ড্রাম তৈরি করে এসব অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ২০২১–২০২২ ও ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরের মাস্টাররোল, শ্রমিক তালিকা, মোবাইল নম্বর যাচাই এবং প্রকৃত শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |