| শিরোনাম |
|
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে এমফিল-পিএইচডিসহ উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে এমফিল-পিএইচডিসহ উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে একটি সমন্বিত একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা দূর করাই এ অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে এসব কলেজের নাম, অবকাঠামো এবং স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ওপর নিজস্ব অধিকার বহাল থাকবে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোর বিধান রাখা হয়েছে। এতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থাকবে। রাষ্ট্রপতি আচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারক করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পৃথক স্কুল গঠন করা হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ‘হেড অব স্কুল’। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন অভিন্ন কাঠামো ও সময়সূচির আওতায় পরিচালিত হবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস অথবা সংযুক্ত কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু, শিক্ষক উন্নয়ন এবং উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশে আবাসিক হল সুবিধা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের আগ পর্যন্ত অস্থায়ী ব্যবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত সাত কলেজের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং রাজধানীতে একটি আধুনিক ও গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অধ্যাদেশ অনুমোদনের মাধ্যমে ঢাকার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। |