| শিরোনাম |
|
৯ বছর প্রেমের পর বিয়ে, বাবা-মা ও ভাইকে নিয়ে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|
![]() ৯ বছর প্রেমের পর বিয়ে, বাবা-মা ও ভাইকে নিয়ে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী পুলিশ জানায়, ৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্র কুমার যাদবকে শহরের ইজ্জতনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, তার মৃত্যুর কারণ গলা টিপে হত্যা। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, জিতেন্দ্রকে হত্যার সময় তার স্ত্রী জ্যোতি সরাসরি জড়িত ছিলেন। ওই সময় জ্যোতির বাবা কালিচরণ, মা চামেলি ও ভাই দীপক জিতেন্দ্রকে ধরে রাখেন। হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য মরদেহটি জানালার গ্রিলে ঝুলিয়ে রাখা হয়। অভিযোগে নাম আসা তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জ্যোতির আরেক ভাইকে ধরতে অভিযান চলছে। পুলিশের তথ্যমতে, বিয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়, যার প্রধান কারণ ছিল আর্থিক বিরোধ। অভিযোগ রয়েছে, জিতেন্দ্র জ্যোতির ব্যাংক হিসাব থেকে ২০ হাজার রুপি তুলে অনলাইন জুয়ায় হারান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া চলছিল। ২৬ জানুয়ারি হারানো টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিষয়টি শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। তখন জ্যোতি তার বাবা-মা ও ভাইকে বাড়িতে ডেকে আনেন। পুলিশ জানায়, পরিবারের সদস্যরা সেখানে পৌঁছে জিতেন্দ্রকে আটকে রাখেন এবং জ্যোতি তাকে গলা টিপে হত্যা করেন। মৃত্যুর পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করা হয় এবং প্রতিবেশীদেরও সে কথাই জানানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে নিলেও, জিতেন্দ্রের ভাই অজয় কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ পাওয়ায় মামলাটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ থেকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানিয়েছে, জ্যোতি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের পর বিয়ে হলেও আর্থিক সংকট ও নিয়মিত দ্বন্দ্বের কারণে সম্পর্কের তিক্ততা চরমে পৌঁছায়, যা শেষ পর্যন্ত এই মর্মান্তিক ঘটনার দিকে নিয়ে যায়। |