| শিরোনাম |
|
লক্ষ্মীপুরে অবৈধ ভোটের সীল জব্দ: জামায়াত নেতাসহ দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() লক্ষ্মীপুরে অবৈধ ভোটের সীল জব্দ: জামায়াত নেতাসহ দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আটক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার সোহেল রানা সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কে অবস্থিত মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে সোহেলের দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ছয়টি ভোটের সীল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পরে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তার দেওয়া তথ্য, হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন এবং ভয়েস মেসেজের প্রমাণের ভিত্তিতে জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফকেও মামলার আসামি করা হয়। শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি এবং দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে বিএনপি ও জামায়াত পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সীল জব্দের ঘটনায় জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি করেন এবং আটক সোহেলকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন। এর জবাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম বলেন, আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন। এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনার পরপরই আমরা শরীফকে দল থেকে বহিস্কার করেছি। বহিস্কারের প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, “দুইজনের নামে মামলা করা হয়েছে। আটক সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হবে।” |