| শিরোনাম |
|
দুই বছরেও মিলেনি নিরাপত্তা, তথ্যের খোঁজে গিয়ে নাগরিক ভোগান্তি
স্মার্ট তিতাস গড়ার পথে ‘ডিজিটাল বাধা’ এলজিইডি-র ওয়েবসাইট:
তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা::
|
![]() দুই বছরেও মিলেনি নিরাপত্তা, তথ্যের খোঁজে গিয়ে নাগরিক ভোগান্তি *ডিজিটাল নিরাপত্তার চরম ঝুঁকি: সরেজমিনে সাইটটি ভিজিট করে দেখা যায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি পোর্টালটি এখনও অসুরক্ষিত (HTTP) প্রোটোকলে চলছে। সাইটে প্রবেশ করলেই ব্রাউজার থেকে ‘Not Secure’ বা সাইটটি নিরাপদ নয় বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সাইটটি ব্যবহারকারী সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরির চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি সরকারি প্রকৌশল দপ্তরের সাইটে SSL সার্টিফিকেট না থাকা দাপ্তরিক চরম অবহেলার প্রমাণ। *তথ্যের বদলে কেবলই ‘শূন্যতা’: অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাইটের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক এখন মৃত। বিশেষ করে ‘চলমান প্রকল্প’, ‘টেন্ডার নোটিশ’, ‘সিটিজেন চার্টার’ এবং ‘অর্জনসমূহ’ ট্যাবগুলোতে ক্লিক করলে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লোড হওয়ার পর ‘সার্ভার এরর’ দেখাচ্ছে। ফলে সাধারণ ঠিকাদার থেকে শুরু করে সচেতন নাগরিকরা কোনো জরুরি তথ্য বা নোটিশ অনলাইনে পাচ্ছেন না। এতে করে দপ্তরের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। *ইমেইলে জবাব মেলেনি কর্তৃপক্ষের: এই ডিজিটাল স্থবিরতা ও অব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) দাপ্তরিক ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ২ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্ববহ এই বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দাপ্তরিক ইমেইলে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর না দেওয়াকে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পথে বাধা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। *নাগরিক ভোগান্তি: স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিজিটাল সেবার নাম থাকলেও ছোটখাটো তথ্যের জন্য তাদের সশরীরে অফিসে গিয়ে ধরণা দিতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী স্বপ্রণোদিত হয়ে তথ্য প্রকাশের নিয়ম থাকলেও তিতাস এলজিইডি সেই নিয়ম মানছে না। তদারকি কর্মকর্তাদের এমন নিরবতা এবং ওয়েবসাইটের জীর্ণ দশা প্রমাণ করে যে, তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে ডিজিটাল সেবা কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ। দ্রুত এই সাইটটি আধুনিকায়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিতাসের সচেতন নাগরিক সমাজ। |