| শিরোনাম |
|
কুড়িগ্রামে প্রবাসীর একাধিক মোবাইলে বিয়ে মানববন্ধনে ফেস্টুনে লেখা বর তুমি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
|
![]() কুড়িগ্রামে প্রবাসীর একাধিক মোবাইলে বিয়ে মানববন্ধনে ফেস্টুনে লেখা বর তুমি মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বরের ছবি সংবলিত পোস্টার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে “বর তুমি কার?” স্লোগান দেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়লই জকরিয়া টারী গ্রামের মৃত আবেদ আলী দর্জির দ্বিতীয় ছেলে বাবু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে দুবাই প্রবাসে অবস্থান করছেন। প্রবাসে থাকাকালীন তিনি একই গ্রামের জয়নাল দর্জির মেয়ে জিম খাতুনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জিম খাতুন স্থানীয় একটি সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়েটি কোনো কাজী অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রি না হলেও ভিডিও কলের মাধ্যমে বরের পরিবারের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং দেশে ফিরে সংসার শুরু করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগও সামনে এসেছে। এলাকাবাসীর দাবি, বাবু মিয়া বিদেশে অবস্থানকালে পার্শ্ববর্তী নওদাবশ গ্রামের সিরাজুল হকের মেয়ে শিরীনা খাতুনের সঙ্গেও একইভাবে মোবাইল ফোনে বিয়ে করেছেন। তিনিও একজন শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কয়েকজন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মোবাইল বিয়ের নামে প্রতারণা ও একাধিক সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে বড়লই গ্রামের (ইউপি) সদস্য মাহবুল হক খন্দকার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দুঃখজনক। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ের নামে একাধিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ সামাজিক ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এতে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এলাকায় বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। |