রোববার ১৭ মে ২০২৬ ১২:০৫:৪২ পিএম
শিরোনাম বরিশাল জেলায় সাব রেজিস্ট্রার সংকটে সেবা ব্যাহত, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার        ভোলায় ২০ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক        ন্যায় ও মানবাধিকারের পক্ষে আপসহীন কণ্ঠস্বর        ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস        আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা        আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা        বাঁশখালীতে পৃথক অভিযানে এক মাদকাসক্ত ও এক কারবারির কারাদণ্ড       
ইলিশ রক্ষায় সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু কড়াকড়ি নজরদারিতে উপকূল, দুশ্চিন্তায় জেলেরা
ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
Published : Wednesday, 15 April, 2026
ইলিশ রক্ষায় সাগরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু
কড়াকড়ি নজরদারিতে উপকূল, দুশ্চিন্তায় জেলেরাবঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের বংশবিস্তার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১১ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে এবং নজরদারি জোরদার করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সময়ে কোনো জেলেই সাগরে গিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, জেলায় সমুদ্রগামী পাঁচ হাজারেরও বেশি ট্রলার রয়েছে, যা পুরোপুরি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। তিনি বলেন, “আইন অমান্য করে কেউ সাগরে গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিষেধাজ্ঞার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তায় সরকার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। ভোলার এক লাখ ৭০ হাজার জেলের মধ্যে ৬৩ হাজার ৯৫৪ জনের জন্য চাল বরাদ্দ এসেছে। প্রত্যেক জেলে এই সময় ৭৭ কেজি করে চাল পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের দিন ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটে ছিল জেলেদের ব্যস্ততা। সাগরে থাকা জেলেরা জাল গুটিয়ে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে আসেন। ঘাটে সারিবদ্ধভাবে ট্রলার নোঙর করে অনেককে মেরামতের কাজ করতে দেখা গেছে।

তবে টানা দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভোলার প্রায় দুই লাখ জেলে। আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে।
বরিশাল বিভাগীয় ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি ইসরাইল পণ্ডিত বলেন, “নিষেধাজ্ঞার আওতায় ভোলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জেলে থাকবেন। তাদের টিকে থাকতে অন্তত ১০০ কেজি চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রয়োজন।”
স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে পড়লেও ঋণের কিস্তির চাপ থেকে মুক্তি পান না। তাই তাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই ভিজিএফ চাল বিতরণ এবং এই সময়ে এনজিও ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

উপকূলীয় এলাকায় ইতোমধ্যে প্রশাসনের কড়াকড়ি নজরদারি শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com