মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ১১:০৬:৪৯ এএম
শিরোনাম প্রসঙ্গ সীমান্তে পুশ ইন, সীমান্তে পুশ ইন       নড়াইলে স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার        পটুয়াখালীতে র‍্যাবের অভিযানে জাল টাকা ও ১১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ১       মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে       ভোলার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত       পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফাঁদে ফেলে অপহরণ, পরে মুক্তিপণ দাবি গ্রেফতার ৩       ধর্মপাশায় ওসি সহিদ উল্ল্যার সততা ও মাদকবিরোধী ভূমিকা প্রশংসিত      
কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ আশার আলো নদীতীরের মানুষের
খাজা ময়েনউদ্দিন চিশতি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
Published : Thursday, 14 May, 2026
কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ আশার আলো  নদীতীরের মানুষের
কুড়িগ্রাম জেলার  রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান থাকায় স্বস্তি ফিরেছে নদীতীরবর্তী মানুষের মাঝে। বিশেষ করে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজের মান ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে দীর্ঘদিনের ভাঙন আতঙ্ক কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের গাবুর হেলান, কালির মেলা, রামহরি এলাকাসহ তিস্তার ভাঙনপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে তীর সংরক্ষণে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। নদীভাঙনের কবল থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা নদীতে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ৪০টি প্যাকেজের মাধ্যমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ২৫০ কেজি বালুভর্তি জিও ব্যাগ এবং ১৭৫ কেজি ওজনের সিমেন্ট ব্লক। তবে কোথাও কোথাও বালু ভর্তি জিও ব্যাগে বালু কম দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে তিস্তার ভাঙন রোধের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। তবে এবার কাজের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

গাবুর হেলান এলাকার তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দা শহিদ মিয়া বলেন, “আগে ভাঙন রোধের কাজ ভালো না হওয়ায় অনেক মানুষের বসতভিটা আর ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। কিন্তু এবার কাজের মান ভালো হওয়ায় ভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মন্টু মিয়া বলেন, “তিস্তার ভাঙনে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এবার জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ ভালো হয়েছে। এতে মানুষের ভাঙনের টেনশন অনেকটাই দূর হয়েছে।

গৃহবধূ আম্বিয়া বেগম বলেন, “প্রতি বছর তিস্তার ভাঙনে আমাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বসতভিটা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি। এবার বাঁধের কাজ ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে আমরা কিছুটা নিরাপদে থাকতে পারবো, চাষাবাদও রক্ষা পাবে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মঈদুল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম মেনেই তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ট্রাসফোর্স গণনা ও বুয়েট টেস্টের ভিত্তিতে ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়। এরপরও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com