| শিরোনাম |
|
রাঙামাটিতে সওজ বিভাগের ওয়াল থাকায় প্রাণে রক্ষা পায় ৩৮ জন যাত্রী
স্টাফ রিপোর্টার (রাঙামাটি) :
|
![]() রাঙামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী। রবিবার দুপুরে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৫৭৭৭) পাহাড়ীকা যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে বড় ধরনের দুঃঘটনা ঘটে।এ সময় বাসে থাকা প্রায় ১২ জন যাত্রী আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৪ জন তাদের বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সাথে সাথে ড্রাইভার ও হেলফার পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় পতিত এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়াল থাকায় গাড়িটি ৩শ ফুট খাদে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। গাড়ীটি গড়িয়ে পড়লে প্রাণহানি ঘটে যেত বলে স্থানীয়দের মতপ্রকাশ। বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস রাঙামাটি-চট্টগ্রাম শহরের সাপছড়ি এলাকায় এসে পৌছালে সড়কের নিচের দিকে নামতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ওয়ালের ধাক্কা খেয়ে রাস্তার সাথে উল্টে যায়। এ সময় যাত্রীরা হুরোহুরি করে নিচে নেমে আসে। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ৪ জনের বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেলেও আরো ৮ জন বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, বাসের ড্রাইভার দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলে কথা বলতে বলতে গাড়ী চালাচ্ছিল। যাত্রীরা ড্রাইভারকে বললেও তিনি কথা থামায়নি। তখন একটু একটু বৃষ্টি হচ্ছিল। আমরা সাপছড়ি প্রবেশ মুখ থেকে বাসটি চলে এসে টানিংএ নামার সময় গাড়ীটি নিয়ন্ত্রণ হানিয়ে ফেলে পাশে ওয়াল না থাকলে আমরা সবাই লাশ হয়ে যেতাম। যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, গাড়ীটি দীর্ঘদিনের পুরনো ঢাকা থেকে রিজেক্ট হওয়া হানিফ, সৌদিয়া, রিলাক্স গাড়ী গুলো কম দামে কিনে এই পথে চালায় মালিকরা। পথের মধ্যে ও বেশ কয়েকবার সমস্যা দেখা দেয়। এমন পুরোনো গাড়ীর কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে চলাচল খুবই খুঁজিপুর্ণ অবস্থায় আছে যাত্রীরা। রাঙামাটি মানিকছড়ির ফাঁড়ির পুলিশ মো. জামাল গণমাধ্যমকে জানায়, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আহতদের রাঙামাটি শহরের দিকে পাঠিয়েছি। তবে ১২ জনের মতো আহত হলেও তেমন বড় ধরনের কোন আহত হয়নি। শুধুমাত্র ৪ জন যাত্রীর বিভিন্ন অংশে ছিড়ে গেছে। তারা স্থানীয় দোকানে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরে গেছে। এবিষয়ে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শওকত আকবর বলেন, যাত্রবাস এক্সিডেন্ট হয়েছে শুনেছি। তবে কোন রোগী এখনো হাসপাতালে আসেনি। |