English    ফটো গ্যালারি    ভিডিও গ্যালারি
বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নেই চামড়া শিল্পের ব্যবসায়ীদের
Published : Thursday, 18 May, 2017 at 4:48 PM, Update: 18.05.2017 4:49:19 PM, Count : 5275
বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নেই চামড়া শিল্পের ব্যবসায়ীদেরনিজস্ব প্রতিবেদক : দেড় বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক বাজার দেশীয় চামড়া শিল্পের, বিভিন্নভাবে প্রায় এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানও হচ্ছে এ খাতে। এরপরও বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় কোন অংশগ্রহণ নেই এ খাতের ব্যবসায়ীদের, এমনকি বাজেট আলোচনায় এনবিআরও কখনো ডাকেনি তাদের।

যদিও সাম্প্রতিক সময়ে হাজারিবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তরের জটিলতায় আগামী বাজেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে চামড়া রফতানিকারকদের কাছে। অন্যদিকে, এনবিআর বলছে, আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ব্যক্তি পর্যায়ে বাজেট নিয়ে আলোচনা হয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে।

দেশে প্রতিবছর ২ কোটি পিস চামড়া থেকে ব্যবহার উপযোগী প্রক্রিয়াজাত চামড়া উৎপাদিত হয় ৩০ কোটি বর্গফুট। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মাত্র ১০ কোটি বর্গফুটের মতো, বাকিটা ক্রাস্ট, ফিনিশড এবং চামড়াজাত পণ্য আকারে রফতানি হয়। আর এই বিদেশ নির্ভরতার পেছনে বড় কারণ অন্যান্য শিল্পের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে এখনও পিছিয়ে চামড়া শিল্প, অভাব রয়েছে দ জনবলেরও।

এসব কারণে ব্যাপক সম্ভাবনা আর প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ থাকলেও তা নিশ্চিত করতে পারছেনা এ খাতের উদ্যোক্তারা। এমনকি গত চার দশকে কখনোই তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো না বাজেট প্রণয়নেও।

তবে আসছে অর্থবছরের বাজেট নিয়ে প্রথমবারের মতো দাবি দাওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা, যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন এনবিআরের সঙ্গেও। মুল উদ্দেশ্য চামড়া শিল্প স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় সরকারি সহায়তা।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ‘দুঃখজনক হলো বিগত সরকারগুলো এ শিল্পকে ইগনোর করেছে। কারণ বাজেট প্রক্রিয়ার সময় তারা আমাদের ডাকেনি। আর আমাদের কোনো কথায় তারা শোনেনি।’

বিএফএলএলএফইএ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন বলেন, ‘হাজারীবাগ থেকে যখন আমরা সাভারে স্থানান্তর হচ্ছি তখন আমাদের সব ব্যাংকের মাধ্যম থেকে সাহায্য পাওয়া দরকার। ৫% থেকে ১৫% ইনসেন্টিভ যেন আমাদের এই বাজেটে যেন করে।’

যদিও, চামড়াকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবেই বিবেচনা করছে সরকার, নজর রয়েছে এ খাতের সংকট সমাধানেও এমন মত এনবিআরের।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, ‘এফবিসিসিআই-এর মাধ্যমে সরাসরি, ব্যক্তিগত মাধ্যমে যে-যেভাবে কোনো প্রস্তাবনা নিয়ে আসতে চায় তাহলে আমরা সকলকে স্বাগত জানাবো। কারণ চামড়াকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবেই বিবেচনা করছে সরকার, নজর রয়েছে এ খাতের সংকট সমাধানেও।’

বছরের শুরুতে চামড়াকে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করে সরকার। অন্যদিকে বড় অর্থনীতির দেশগুলোতে উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের পছন্দের তালিকাতেও বাংলাদেশের অবস্থান প্রথমদিকেই। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাবনা কাজে লাগানো গেলে রফতানি আয় পৌঁছাতে পারে ৫ বিলিয়ন ডলারে।






Join With Us
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত