| শিরোনাম |
|
উত্তরাঞ্চলে বন্যার্তদের পাশে মাস্তুল ফাউন্ডেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() উত্তরাঞ্চলে বন্যার্তদের পাশে মাস্তুল ফাউন্ডেশন উত্তরাঞ্চলে শেরপুরে কাজ করতে গিয়ে মাস্তুল ফাউন্ডেশন এক স্বেচ্ছাসেবক আশরাফ জানান, আমরা উত্তরাঞ্চলের বন্যা পীড়িতদের দুর্দশা দেখে মর্মাহত। এই ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা তাদের কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পেরেছি। আমরা আশা করি, এই সহায়তা তাদের জীবন পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বন্যাপীড়িত অনেকেই মাস্তুল ফাউন্ডেশনের এই মহৎ প্রচেষ্টাকে কৃতজ্ঞ জানিয়েছেন এবং আরো বলেন এই সময়ে আপনাদের এই সহোযোগিতা আমাদের আজীবন মনে থাকবেন। বন্যায় গৃহহীণ ফরিদা বলেন- পানি সব ঘর বাড়ি নিয়ে গেছে কিন্তু খাবারের পানিই নাই। পানির এই ট্যাবলেট দিছেন এখন পানি খেতে পারবো। ভবিষ্যতে মাস্তুল ফাউন্ডেশন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি ও টিউবওয়েল মেরামত, স্বাস্থ্য সহায়তা এবং সাবলম্বীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। এসকল কার্যক্রমে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আল যাকাত সাদাকা ফাউন্ডেশন। উল্লেখ্য, মাস্তুল ফাউন্ডেশন বহুমুখী সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে নিজস্ব স্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধআশ্রম যেখানে শতাধিক পিতামাতাহীন অনাথ/এয়াতিম শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধ- বৃদ্ধা বসবাস করেন। এর বাহিরে কয়েক জেলায় প্রজেক্ট স্কুলগুলোতে হাজারের অধিক সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সকল শিক্ষার উপকরন দেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পুষ্টিকর খাবার, শিশু অধিকার, মৌলিক চাহিদা নিশ্চয়তা করা হচ্ছে। এছাড়া চিকিৎসা খাতে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে 'মাস্তুল এইড' প্রকল্পের মাধ্যমে অর্ধশতাধিকের অধিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অসচ্ছল পঙ্গুত্ববরণকারী রোগীদের চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি হুইলচেয়ার ও কৃত্রিম পা দিয়ে সাবলম্বী করছে। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের রয়েছে সেলাই প্রশিক্ষন কেন্দ্র, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে কর্মক্ষম করে তোলা হচ্ছে। এর বাহিরে যাকাত স্বাবলম্বী প্রজেক্টের মাধ্যমে ১০০০ জনের বেশি মানুষকে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। মাস্তুলের প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে দাফন-কাফন সেবা প্রজেক্ট, যার মাধ্যমে করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০০ এর অধিক লাশ দাফন হয়েছে। রয়েছে মাস্তুল মেহমানখানা, যেখান থেকে শতাধিক অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষের একবেলা পেট পুড়ে খাওয়ার ব্যাবস্থা হয়। |