| শিরোনাম |
|
পাকিস্তান-ভারত সংঘাত: যুদ্ধবিরতির পরেও উত্তেজনা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() পাকিস্তান-ভারত সংঘাত: যুদ্ধবিরতির পরেও উত্তেজনা গত ৭ মে ভোরে ভারত 'অপারেশন সিন্ধূর' শুরু করে এবং পাকিস্তানের ছয়টি অঞ্চলে ২৪টি হামলা চালায়। এটি ছিল ২২ এপ্রিল পেহালগামে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া, যেখানে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। ভারত দাবি করেছে, এই হামলায় পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী জয়শে-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈয়বা জড়িত ছিল। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই ভারতীয় হামলায় ৩৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৭৬ জন আহত হয়েছে। এই সংঘাতের মূল কারণ ছিল কাশ্মীরের দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগ। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পেহালগামে সন্ত্রাসী হামলার পর, ভারত ৭ মে ভোরে 'অপারেশন সিন্ধূর' শুরু করে। ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা চালিয়ে, পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে, গুলপুর, ভিম্বর, চাক আমরু, বাঘ, কোটলি, সিয়ালকোট ও মুজাফফরাবাদে জঙ্গি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দাবি করেছেন, এই হামলায় ১০০ জঙ্গি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে জয়শে-মোহাম্মদের মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগীও ছিলেন। পাকিস্তান দাবি করেছে, এতে ৩৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৭৬ জন আহত হয়েছেন। পাকিস্তান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচটি ভারতীয় বিমান ভূপাতিত করেছে এবং ভারতীয় সামরিক ঘাঁটি ও চেকপোস্ট ধ্বংস করেছে। ৭ মে থেকে পাকিস্তান ৭৭টি ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। ১০ মে ভারত পাকিস্তানের তিনটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাকিস্তান 'অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস' চালিয়ে পাঠানকোট, শ্রীনগর এবং গুজরাটের ভারতীয় বিমানঘাঁটি ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারে হামলা চালায়। পাকিস্তান দাবি করে, ভারতের এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। ভারত-পাকিস্তান সংঘাত কাশ্মীর ইস্যুতে দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার একটি নতুন অধ্যায়। যুদ্ধবিরতি সাময়িক শান্তি আনলেও, বেসামরিক প্রাণহানি ও পারস্পরিক অভিযোগ পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তথ্যসূত্র : দ্য ডন |