| শিরোনাম |
|
ভোলা ৪ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা
চরফ্যাশন প্রতিনিধি :
|
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা ৪ (চরফ্যাশন ও মনপূরা) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ে জমে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। এই আসন থেকে দলের একাধিক নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।প্রার্থী প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক এবং বর্তমান নেতৃত্বের উভয়ই রয়েছেন। সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য জনাব নাজিম উদ্দিন আলম বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগ ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক এজিএস ছিলেন। এছাড়া তিনি চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন।বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জনাব নুরুল ইসলাম নয়ন এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী। ২০১৮ সালে তিনি মনোনয়ন ফরম তুললেও দলের নির্দেশে তা প্রত্যাহার করেছিলেন। তার মানবিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ জনগণের বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মাদক 'সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারের বিরুদ্ধে কটর হুঁশিয়ারির এই দৃঢ় অবস্থান সাধারণ মানুষের আস্তা কেড়ে নেয়। এ ছাড়া ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিতে তার স্বচ্ছতা পাওয়া যায়। যা দলের হাই কমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছন। নতুন মুখ হিসাবে সাবেক ছাত্রনেতা,চরফ্যাশন ক্রীড়াঙ্গন প্রতিষ্ঠান এমবিসি এর আইন বিষয়ক উপদেষ্টা ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান রনভী ও মনোনয়ন প্রত্যাশী।তিনি ১৮ সালে নির্বাচনে মনোয়ন প্রার্থী ছিলেন। এলাকায় মেধাবীওসমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। তার বাবা অধ্যাপক আব্দুর রব ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ চরফ্যাশন কলেজ। মা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সদস্য ও ছোট ভাই কলেজ ছাত্র দলের প্রাক্তন সভাপতি।তিনি শিক্ষা,খেলাধুলা ও পর্যটনবিকাশে সক্রিয় থাকবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতিও চরফ্যাশন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মাকসুদুর রহমানের সুযোগ্য সন্তান, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ছাএদলের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য শোয়েব মুহাম্মদ মোহাম্মদ মুনতাসির মোর্শেদ প্রথমবারের মতো মনোনয়ন প্রত্যাশায়, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পোস্টার ও ব্যানারের মাধ্যমে মনোয়ন প্রত্তাশী হিসাবে পরিচিত হচ্ছেন।তার মাতা চরফ্যাশন উপজেলা মহিলা ফলের দলের সাবেক সভানেত্রী ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন ভোলা ৪ আসনের বিএনপির ভিতরের গ্রুপিং ও দ্বন্দ্ব এবং নতুন কমিটি ঘোষণা না করলে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হবেন। |