| শিরোনাম |
|
৭ বছর পর হত্যাকান্ডের ক্লু মিলল: পিবিআইয়ের অভিযানে হৃদয় আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
|
![]() ৭ বছর পর হত্যাকান্ডের ক্লু মিলল: পিবিআইয়ের অভিযানে হৃদয় আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ১৪ বছর বয়সী হাসিবুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য সাত বছর পর উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর পিবিআই শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বার্মা কলোনী এলাকা থেকে হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মো. হৃদয় (২৮) কে গ্রেপ্তার করে। পিবিআই জানায়, অটোরিকসা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে শিশু হাসিবুলকে হত্যা করা হয়। ছিনতাইকারী চক্র অটোরিকসাটি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘ সময় চালিয়ে পরে আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বিলের ধানি জমিতে নিয়ে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রেখে অটোরিকসাটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। নিহত হাসিবুল কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের লেশিয়ারা গ্রামের মো. মোবারক হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত হৃদয় একই উপজেলার নিমবাড়ি (মধ্যপাড়া) এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে। ২০১৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি হাসিবুল তার পিতার অটোরিকসা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। পরদিন তার পিতা মোবারক হোসেন কসবা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পাঁচ দিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি আখাউড়ার নোয়াপাড়া বিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে সংরক্ষিত ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে বাবা-মায়ের ডিএনএ মিলিয়ে লাশটি হাসিবুলের বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রথমে থানা পুলিশসহ গোয়েন্দা বিভাগ মামলাটি তদন্ত করলেও দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের সাব-ইন্সপেক্টর (নিঃ) মো. হাবিব উল্লাহ সরকারের নেতৃত্বে নতুন করে তদন্ত শুরু করা হয়। গত শনিবার চট্টগ্রামের বার্মা কলোনীতে অভিযান চালিয়ে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আসামির অতর্কিত হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শচীন চাকমা বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। গ্রেপ্তারকৃত হৃদয়কে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।” |