| শিরোনাম |
|
কুষ্টিয়া-৪ আসন জরিপে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ‘ইসলামি আন্দোলন’ ‘হাতপাখা’র প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান
স্টাফ রিপোর্টার :
|
![]() কুষ্টিয়া-৪ আসন জরিপে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ‘ইসলামি আন্দোলন’ ‘হাতপাখা’র প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সারাদেশের মতোই এ-ই আসনের দুইটা উপজেলাতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতাকর্মীরা ব্যাপক আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। যার কারনে তাদের একাধিক নেতাকর্মী নিহত ও বহু সংখ্যাক আহত হয়েছেন। এদিকে বর্তমানে অনলাইন ও সরজমিন জরিপে দেখা যায়, ইসলামি আন্দোলন এর আওতাধীন মহিলা আন্দোলন শাখার সংগঠনটি আরও মজবুত এবং সক্রিয়। এছাড়াও ইসলামি শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামি যুব আন্দোলন সহ ইসলামি আন্দোলনের একাধিক সহযোগী সংগঠনের কাজ এই আসনে নিয়মিত হয়ে আসছে। এদিকে এ-ই আসনের দুইটা উপজেলাতে জামায়াতে ইসলামীর দুইটা উপজেলা সহ বিভিন্ন শাখায় কমিটি আছে। কিন্তু কুষ্টিয়া-৪ কুমারখালি খোকসার এই আসনের কার্যক্রমে ব্যাপকভাবেই এগিয়ে আছেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। তবে অপরদিকে কুষ্টিয়া-২ ও কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুফতী আমির হামজা ও আব্দুল গফুর ব্যাপকভাবে এগিয়ে আছেন ময়দানে। বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে কুষ্টিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর কমিটি ছিলো শুধুমাত্র কাগজকলমে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট কর্তৃক বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে কুমারখালি-খোকসা আসনে জামায়াতে ইসলামী তেমন কোন কার্যক্রম চালাতে পারেননি।তবে ৫ ই আগষ্টের পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামী আবারও সক্রিয় হয়েছেন। অথচ ফ্যসিস্ট আমলেই ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ দেশব্যাপী আন্দোলন সংগ্রাম চলমান রেখেছিলো এমনকি ২৪এর ৫ই আগষ্ট এর গণ-অভ্যুত্থানের্ সর্বপ্রথম কারফিউ ভাঙেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করিম। এছাড়াও কুষ্টিয়ায় ইসলামি আন্দোলন আন্দোলনের পাশাপাশি ঐক্যমত পোষণকারী সমমনা ৮দলের মধ্যে কুষ্টিয়া-৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকসা মার্কার কার্যক্রম কুমারখালী উপজেলাতে কিছুটা চলমান রয়েছে এবং জোটের বাকি ৫ দলের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বেশ অস্বস্তিতে আছে। তার বিরুদ্ধে দলের ভিতর থেকে আন্দোলন চলছে। আন্দোলনের মাত্রা এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে তিনি ঠিকমতো গণসংযোগই করতে পারছেন না। ভোটের আগ পর্যন্ত এমন অস্বস্তিকর পরিবেশ বজায় থাকলে ভোটের ফলাফলে নিশ্চিত বিপর্যয় ঘটবে বলে মনে করেন এ-ই আসনের রাজনীতি বিশ্লেষকরা। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান দলের নেতাকর্মীদের কাছে প্রিয় ব্যাক্তি ও প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন। তারজন্য ৫ই আগষ্টের পর থেকেই আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন নেতাকর্মীরা। প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামে পর্যায়ে ব্যাপকভাবে গণসংযোগ করে আসছেন নেতাকর্মীরা। যার কারণে আনোয়ার খান এ-ই আসনে জনপ্রিয় মুখ থেকে জননেতায় পরিণত হয়েছেন। অনেকেই বলেন, হাতপাখার প্রার্থী আনোয়ার খান এখনই অঘোষিত এমপি,জনতার এমপি। ধারণা করা হচ্ছে, ভোট সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হলে ভূমিধস জয় পাবে ইসলামি আন্দোলনের হাতপাখার এ-ই সাংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসেন এ-ই আসনে দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী হলেও ইসলামি সমমনা ৮দল ঐক্যের প্লাটফর্মে আসায় এই আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় আসনটি পেতে পারেন হাতপাখার প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান। ৫ ই আগষ্টের আগে দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী আফজাল হোসেন দল নিষিদ্ধ থাকায় এ-ই অঞ্চলে কেন কাজে অংশগ্রহণ করতেননা। অথচ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আনোয়ার খান হাতপাখার প্রার্থী হয়ে এমপি পদে আসার আগ থেকে দীর্ঘদিন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও খোকসা উপজেলার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও আলহাজ্ব আনোয়ার খানের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, যার দরুন কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে সর্বচ্চ রেমিটেন্স ও করদাতা হিসেবে জেলা প্রশাসকের নিকট পুরষ্কৃত হয়েছেন। সেইসাথে কুষ্টিয়া-৪ কুমারখালি খোকসার সন্তান হিসেবে আলহাজ্ব আনোয়ার খান মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তা, স্কুল, অসহায়দের পুরে যাওয়া বাড়ি নির্মাণ, নিরীহ পরিবারের কন্যাদের বিবাহ খরচ সহ কুমারখালি ও খোকসা উপজেলার হাজারও মটরজান রিকশা এবং ভ্যান ওয়ালাদের পৌরসভার লাইসেন্স করে দেওয়া, বিদ্যুৎ খরচ, জনদুর্ভোগ নিরসন ইত্যাদি সহ এমন কোন কাজ নেইযে আলহাজ্ব আনোয়ার খান করছেননা। জনগণের নিকট অঘোষিত এমপি হিসেবে আলহাজ্ব আনোয়ার খান পরিচিত। আলহাজ্ব আনোয়ার খান বলেন, আমি এমপি নয় জনগণের সেবক হতে চাই, আমার আসনে আমার জনগণ হবে এমপি- আর আমি হবো সেবক। এভাবেই সকল ঘরে ঘরে জনগণের হৃদয়ের মনিকোঠায় জায়গা করে নিয়ে মনজয় করেছেন হাতপাখার এই এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান। যার সকল তথ্য প্রমাণ কুষ্টিয়া-৪ আসনের জনগণ নেট দুনিয়ায় ভাইরাল করে দিয়েছেন। আলহাজ্ব আনোয়ার খান যার কারণে দেশব্যাপী আলোচিত এবং প্রশংসিত এক মুখ। খোকসা এলাকাবাসী জানান আলহাজ্ব আনোয়ার খান আমাদেরকে আগাগোড়াই বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছেন, যে সহযোগিতা আমরা ইতিপূর্বের সংসদ সদস্যদের থেকেও পায়নি, তাই আমরা খান সাহেবকে এমপি পদে দাঁড়াতে একপ্রকার বাঁধ্য করেছি।আমরা পেট খলি এমপি চাইনা, আনোয়ার খানকে আল্লাহ তায়ালা যা সম্পদ দিয়েছেন তিনি তার সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাভের অংশের অগ্রভাগই জনগণের মাঝে প্রতিনিয়ত বিলিয়ে দেন। এমপি নির্বাচিত হলে তিনি অন্তত দুর্নীতিবাজ হবেননা। জনগণের এমন মন্তব্য এবং আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষিতেই ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) আলহাজ্ব আনোয়ার খানকে মনোনীত করে তার হাতে হাতপাখা প্রতিক তুলে দেন। এদিকে আলহাজ্ব আনোয়ার খান তার খোকসা-কুমারখালি আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায়, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলার নেতাকর্মীরা আশাবাদী যে, ইসলামি সমমনা ৮দলের থেকে এই জেলার ৪টি আসনের মধ্যে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালি-খোকসা) আসনটি ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতিকই ৮দলীয় জোটের চুড়ান্ত নমিনেশন পাবে। যার কারণে বাকি সমমনা ৭দলের কার্যক্রম দলীয় চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ গতিতে চলমান রয়েছে। এদিকে জনগণ অভিযোগ তুলে বলছেন যে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খানের প্রতি যে জনসমর্থন রয়েছে- এতে হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী তথ্য সন্ত্রাসী কায়দায় অপপ্রচার চালাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এমন জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় আলহাজ্ব আনোয়ার খানের সম্ভাবনা রয়েছে ব্যাপক, বিএনপির নমিনেশন পাওয়া না পাওয়া প্রার্থীদের কোন্দলের যেরে এখন সবার মুখে শোনা যাচ্ছে যার নাম তিনিই হলেন হাতপাখার প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান। এবিষয়ে কুষ্টিয়া জর্জ কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম জানান, ৫ই আগষ্টের পর থেকে দেশে সম্পূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। মানুষ এখন আর আওয়ামীলীগ বিএনপির ভোটের হিসেবে নেই। মানুষ বুঝতে শিখেছে এবং সজাগ হয়েছে সুতরাং অনেককিছুই তারা জানেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিকালে স্থানীয়ভাবে অনলাইন এবং অফলাইনে যতোগুলো জরিপ হয়েছে সর্বাধিক গড় হিসেবে বেশিরভাগ জরিপে হাতপাখার প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে আছে। মানুষ সৎ যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীর পক্ষে বলেই হাত-পাখার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে ইসলামি আন্দোলন কুমারখালীর সেক্রেটারি ডাক্তার মিজানুর রহমান বলেন, এই আসনে বিএনপি দ্বিধাবিভক্ত এবং দলীয় নানান কোন্দল/যুদ্ধ লেগেই আছে, প্রতিনিয়ত এক নেতা আরেক নেতার বিরুদ্ধে প্রচার এবং তাদের দলীয় নমিনেশন না পাওয়া নিয়েই দন্দ এখনও চলমান। সর্বদিক থেকে আমরা দেখছি আমাদের প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন। তাই আমরা ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালি-খোকসা) আসনে সমমনা ৮দলীয় জোটের চুড়ান্ত নমিনেশন এবং প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খানের বিজয়ের ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদী। তাছাড়া এই আসনে ইসলামী আন্দোলন সাংগঠনিকভাবে ভালো শক্তিশালী। বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ইসলামী আন্দোলনের সংগ্রাম ছিলো তিব্র। যার কারণে, তাদের অনেক কর্মী নিহত হয়েছে- আহত হয়েছে, তাদের নামে অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। এই কারনে এ অঞ্চলের লোক ইসলামী আন্দোলনকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। বর্তমান পরিবেশ যেই অবস্থায় রয়েছে, এই অবস্থায় থাকলে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবে। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সংগঠক ছাত্রনেতা সাজ্জাদ সাব্বির এই বিষয়ে জানান, এ-ই আসনে ইসলামি আন্দোলন দল ও প্রার্থী হিসেবে শক্তিশালী ও জনপ্রিয়। বিভিন্ন জরিপেও তাই উঠে এসেছে। ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে জিতবে। একই কথা বলেন ঐ এলাকার মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা শিক্ষক মানুষ। শান্তিতে ঘুমাতে চাই, নিরাপদে বসবাস করতে চাই এবং দেশে নৌকা ধান লাঙ্গল সবকিছুই দেখা শেষ, এই কারণে এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতীক হাতপাখায় ভোট দেবো। এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে গত ১১ই ডিসেম্বর রোজ বৃহষ্পতিবার। তফসিল ঘোষণার সাথেসাথে নির্বাচনী মাঠ আরো গরম হয়ে উঠেছে। কে হবে! আগামীর কুষ্টিয়া-৪ আসনে জনগণের এমপি! তাই জনসাধারণ আশঙ্কায় আছে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি-না!! এ-ই আসনের মানুষ মনে করে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে, জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা – ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান ব্যাপক ভোট পেয়ে জয়লাভ করবে। |