| শিরোনাম |
|
খালেদা জিয়া জীবিত থাকলে আমাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হতো না : রুমিন ফারহানা
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() খালেদা জিয়া জীবিত থাকলে আমাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হতো না : রুমিন ফারহানা সম্প্রতি এক ইউটিউব চ্যানেলের টক শো প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে, বিশেষ করে গত ১৫ বছরে, আমি টেলিভিশন টক শো, সংসদ ও নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দল, দেশ ও মানুষের পক্ষে কথা বলেছি। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল; সেখানে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ থাকা স্বাভাবিক।” তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন পর দেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে, এবং সে কারণে বিএনপি কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট ও আসন সমঝোতায় গেছে। বিএনপির হাতেও হয়তো খুব বেশি অপশন ছিল না।” রুমিন ফারহানা জানান, “আমি দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে কাজ করে আসছি। বিশেষ করে উকিল আব্দুল সাত্তার নৌকা মার্কায় চলে যাওয়ার পর দল থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, ওই আসনটি আমাকে দেওয়া হবে এবং সেখানেই আমাকে কাজ করতে হবে। নির্বাচন সামনে আসার পর হঠাৎ করেই দলীয় হাইকমান্ড জানায়, অন্য একটি দলের সঙ্গে জোট করা হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানানো হয়নি। দলের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতি আমার অঙ্গীকার উপেক্ষা করতে পারি না। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি বলেন, “আমার এলাকার মানুষের স্পষ্ট দাবি ছিল, এবার যেন জোটের কোনো প্রার্থী না দেওয়া হয় এবং ধানের শীষের প্রার্থী আসে। কারণ ২০০১ সালের পর থেকে এ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী ছিল না। ২০১৮ সালে উকিল আব্দুল সাত্তার ধানের শীষে নির্বাচিত হলেও সংসদে মাত্র একদিন উপস্থিত ছিলেন।” রুমিন ফারহানা বলেন, “বর্তমান সময়ে মানুষকে আর অন্ধকারে রাখা সম্ভব নয়। কে মাঠে আছে, কে নেই, কে দুঃসময়ে ফোন ধরেন আর কে নিরাপদ দূরত্বে থাকেন, সবকিছুই মানুষের চোখের সামনে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই তার দাফনের আগেই বিএনপির নয়জন নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনা মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।” নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি জানান, “এটি আমি এককভাবে নিইনি। এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতাই আমার কাছে মুখ্য।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন করার আগে আমি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, দলীয় ও বেসরকারি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের করা ৮–৯টি জরিপ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছি। এসব জরিপের ভিত্তিতেই আমি ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, “এখন পর্যন্ত এলাকায় বড় কোনো বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। তবে ২২ তারিখ থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে পরিস্থিতি আরো স্পষ্ট হবে। ২১ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে।” |