| শিরোনাম |
|
টেকনাফ-মায়ানমার সীমান্তে জেলে গুলিবিদ্ধ: আতঙ্কে স্থানীয়রা
গনকণ্ঠ প্রতিবেদক (টেকনাফ)
|
![]() টেকনাফ-মায়ানমার সীমান্তে জেলে গুলিবিদ্ধ: আতঙ্কে স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীর হোয়াইক্যং অংশে এ ঘটনা ঘটে। আহত জেলে মো. আলমগীর টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহত জেলের বড় ভাই সরওয়ার আলম। তিনি জানান, মাগরিবের পর আমার ভাই মো. আলমগীর ও মো. আকবর নামের আরও একজন জেলে নাফ নদীর হোয়াইক্যং এলাকার বিলাইরছিয়া দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে যান। নৌকায় অবস্থান করে জাল ফেলছিলেন তারা। এ সময় হঠাৎ কয়েক রাউন্ড গুলির ফায়ারের শব্দ শোনা যায়। এক পর্যায়ে আমার ভাই নৌকার মধ্যে লুটিয়ে পড়েন। পরে দেখা যায়, তার বাম হাত থেকে রক্ত ঝরছে এবং একটি গুলি বাম হাত ভেদ করে বের হয়ে গেছে। সঙ্গে থাকা জেলের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। আহত অবস্থায় আলমগীরকে প্রথমে ‘কুতুপালং এমএমএস হাসপাতালে’ নেওয়া হয়, সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, নাফ নদীতে মো. আলমগীর নামে এক জেলের হাতে গুলি লেগেছে বলে শুনেছি। তবে কারা গুলি করেছে, তা আমি জানি না। নাফ নদীর এপারে মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় মাঝে মধ্যেই গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়, যা এখানে ভেসে আসে। আজও কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। জানতে চাইলে টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, ‘আজকে সকালেও মিয়ানমার সীমান্তে গোলার শব্দ পাওয়া কথা জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন। এছাড়া গতকাল হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফ নদীতে মাছ ও কাঁকড়া শিকারে গিয়ে বাংলাদেশি এক জেলে গুলিবিদ্ধ হন। তবে কার গুলিতে ওই জেলে আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া সীমান্তে ওপারে প্রায় সময় গোলার শব্দ শুনতে পায় সীমান্তের বাসিন্দারা’। |