| শিরোনাম |
|
চায়ের দোকানের লোভে বিএনপি নেতাকে হত্যা: শুটার স্বীকারোক্তি
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() চায়ের দোকানের লোভে বিএনপি নেতাকে হত্যা: শুটার স্বীকারোক্তি বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আদালতে সোপর্দ করার সময় জবানবন্দি দেন আসামি ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুক। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে হত্যা করেন তার মেয়ের জামাই বাসেত আলী পরশ। শুটার মিশুককে হত্যার মিশনে অংশ নিতে চায়ের দোকান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. আহসান হাবীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মিশুককে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়। ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) যশোর শহরের বেজপাড়া চিরুনি কল এলাকার মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায়, যশোর শহরের শংকরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন (৫৫)। ডিবির এসআই অলক কুমার দে জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলসহ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রথমে শুটার মিশুককে শনাক্ত করা হয়। মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে শহরের বেজপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মিশুক হত্যার দায় স্বীকার করেন। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আহসান হাবীব বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে এবং আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক জানিয়েছে, ভাড়াটে শুটার হিসেবে সে আলমগীরকে হত্যা করেছে। তাকে ভাড়া করেছিল অমি ও প্রিন্স নামে দুজন। মিশন শেষে তাকে একটি চায়ের দোকান করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। আর টাকার বিনিময়ে জামাই পরশের কাছ থেকে হত্যার কন্ট্রাক্ট নিয়েছিল অমি ও প্রিন্স।” তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় মিশুকের যে পোশাক ছিল তা উদ্ধার করা হয়েছে। অমি ও প্রিন্সকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। |