| শিরোনাম |
|
টানা পাঁচ মাস রপ্তানি কমায় চাপের মুখে পোশাক খাত
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() টানা পাঁচ মাস রপ্তানি কমায় চাপের মুখে পোশাক খাত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে উল্লেখযোগ্য হারে রপ্তানি কমেছে। ক্রোয়েশিয়ায় রপ্তানি কমেছে ৭৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যা ৩৪ মিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৮ মিলিয়নে। চেক প্রজাতন্ত্রে রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং ডেনমার্কে কমেছে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ফিনল্যান্ডে রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, ফ্রান্সে ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জার্মানিতে ১১ দশমিক ৪০ শতাংশ। জার্মানিতে রপ্তানি ২ হাজার ৪৬৯ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৮৭ মিলিয়নে। ইতালিতে রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং আয়ারল্যান্ডে ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ ছাড়া লুক্সেমবার্গে রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ০৬ শতাংশ, রোমানিয়ায় ৩৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং স্লোভাকিয়ায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ। সুইডেনে রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্রেও রপ্তানি সামান্য কমেছে। দেশটিতে রপ্তানি শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৮৪৩ মিলিয়ন ডলার থেকে ৩ হাজার ৮৩৯ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যেও পতন লক্ষ্য করা গেছে। রাশিয়ায় রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ, তুরস্কে ২৫ দশমিক ৮০ শতাংশ, মেক্সিকোতে ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও নিউজিল্যান্ডেও রপ্তানি কমেছে বিভিন্ন হারে। বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘বিশ্ববাজারে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে সাময়িকভাবে বাংলাদেশের রপ্তানি মন্দা দেখা দিয়েছে। তবে বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং নতুন বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বড় বাজারে চাহিদা বাড়াতে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রপ্তানি খাতের জন্য সরবরাহ চেইন, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনশীল চাহিদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে সচেতন হয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।’ |