| শিরোনাম |
|
রুমিন ফারহানা হেভিওয়েট কেউ নন: জুনায়েদ আল হাবীব
গনকণ্ঠ ডেস্ক :
|
![]() রুমিন ফারহানা হেভিওয়েট কেউ নন: জুনায়েদ আল হাবীব শনিবার (১০ জানুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তিনি বলেন, “যার কথা বলা হচ্ছে, তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত। বহিষ্কৃত একজন নেতার সঙ্গে মানুষ যাবে না—এটাই স্বাভাবিক রাজনৈতিক বাস্তবতা।” রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, “তিনি রাজনীতিতে হেভিওয়েট কেউ নন। আমার রাজনৈতিক জীবনের বয়স অনেক দীর্ঘ। আমি রাজনীতি শুরু করেছি ১৯৭৮ সালে, আর তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৮২ সালে। সুতরাং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠের বাস্তবতায় আমাদের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।” নিজের প্রার্থিতা নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, এই আসন আলেম–ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের আসন। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে আলেম সমাজ তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে পৌঁছাবেন তিনি। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক নির্বাচনী অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বহিরাগত সংসদ সদস্যরা এসে সরাইল–আশুগঞ্জ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে জোটের পক্ষ থেকে আনা একজন ‘রোহিঙ্গা প্রার্থী’ স্থানীয় এমপি প্রার্থীর সঙ্গে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রুমিন ফারহানা বলেন, শেষ পর্যন্ত সরাইল–আশুগঞ্জের মানুষ নিজেদের এলাকার সন্তানকেই বিজয়ী করবে। উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব। এ নিয়ে আসনটিতে রাজনৈতিক উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে। |