শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০২:২৮ এএম
শিরোনাম ঝালকাঠিতে জাল ভোট দিতে গিয়ে নরী আটক,২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড       ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে পোলিং অফিসারের মৃত্যু       ঢাকার ১৩টি আসনে ১৪শ' ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র: রিটার্নিং অফিসার       আলোচিত প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন       ‘গুড গভরনেন্স ফোরাম (জিজিএফ) এর প্রাক নির্বাচনী জনমত জরিপ’       প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ       যমুনা সেতু থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল আদায়      
একসময়ের লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখন স্মৃতি
গনকণ্ঠ প্রতিবেদক :
Published : Saturday, 10 January, 2026
একসময়ের লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখন স্মৃতি

একসময়ের লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখন স্মৃতি

এক সময় শীত মৌসুম এলেই রাঙামাটির নদী, হ্রদ ও জলাশয়গুলো লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখির কলরবে মুখর হয়ে উঠত। কাপ্তাই হ্রদ থেকে শুরু করে আশপাশের ছোট-বড় নদী ও চর এলাকায় পাখির ঝাঁক ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্য এখন অনেকটাই স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। আগের মতো আর পাখি নেই—এমন মন্তব্যই করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১০–১৫ বছর আগেও শীতকালে আকাশে উড়ন্ত পাখির ঝাঁক ও পানিতে ভেসে থাকা অতিথি পাখির সংখ্যা ছিল অসংখ্য। বর্তমানে হাতে গোনা কিছু জলচর পাখি দেখা গেলেও আগের সেই ব্যাপক উপস্থিতি আর নেই। এতে করে রাঙামাটির প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—অবৈধ শিকার, নৌযানের শব্দদূষণ, জলাশয় দখল, পানিদূষণ এবং মানুষের অবাধ চলাচল। পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্য সংকটও পাখি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, অতিথি পাখি শিকার বন্ধে আইন থাকলেও এর সঠিক প্রয়োগ নেই। ফলে প্রতিবছরই শিকারিরা নির্বিঘ্নে পাখি শিকার করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে রাঙামাটির জলাশয়গুলোতে অতিথি পাখির আগমন আরও কমে যাবে। তারা দ্রুত জলাশয় সংরক্ষণ, শিকার নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
একসময়ের পাখির রাজ্য হিসেবে পরিচিত রাঙামাটির নদী ও হ্রদে অতিথি পাখির সংখ্যা কমে যাওয়া শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য হারানোর বিষয় নয়, বরং এটি পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্যও একটি অশনিসংকেত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com