| শিরোনাম |
|
একসময়ের লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখন স্মৃতি
গনকণ্ঠ প্রতিবেদক :
|
![]() একসময়ের লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি এখন স্মৃতি স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১০–১৫ বছর আগেও শীতকালে আকাশে উড়ন্ত পাখির ঝাঁক ও পানিতে ভেসে থাকা অতিথি পাখির সংখ্যা ছিল অসংখ্য। বর্তমানে হাতে গোনা কিছু জলচর পাখি দেখা গেলেও আগের সেই ব্যাপক উপস্থিতি আর নেই। এতে করে রাঙামাটির প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—অবৈধ শিকার, নৌযানের শব্দদূষণ, জলাশয় দখল, পানিদূষণ এবং মানুষের অবাধ চলাচল। পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্য সংকটও পাখি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, অতিথি পাখি শিকার বন্ধে আইন থাকলেও এর সঠিক প্রয়োগ নেই। ফলে প্রতিবছরই শিকারিরা নির্বিঘ্নে পাখি শিকার করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে রাঙামাটির জলাশয়গুলোতে অতিথি পাখির আগমন আরও কমে যাবে। তারা দ্রুত জলাশয় সংরক্ষণ, শিকার নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। একসময়ের পাখির রাজ্য হিসেবে পরিচিত রাঙামাটির নদী ও হ্রদে অতিথি পাখির সংখ্যা কমে যাওয়া শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য হারানোর বিষয় নয়, বরং এটি পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্যও একটি অশনিসংকেত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। |