| শিরোনাম |
|
নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই: প্রধান উপদেষ্টা সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে অংশ নেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। বৈঠকে নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগ তুলে ধরেন এনসিপির নেতারা। তারা জানান, গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।” প্রধান উপদেষ্টা জানান, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকবে। এসব কার্যক্রম কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটর করা হবে। গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা করছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন দেওয়া প্রয়োজন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী হবে আমরা তা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি।” তিনি আরও বলেন, “এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানিয়েছি। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সকলের— সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল— আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি।” |