| শিরোনাম |
|
নবম পে-স্কেলের সুপারিশ জমা আজ, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() নবম পে-স্কেলের সুপারিশ জমা আজ, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সদস্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদন হস্তান্তর করবেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদও এতে উপস্থিত থাকবেন। কমিশনের এক সদস্য দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, “নবম পে-স্কেলের সব বিষয় মোটামুটি চূড়ান্ত। খসড়া সুপারিশ আলোচনা শেষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে। কোনো সদস্যের কাছে কপি রাখা হবে না। পরবর্তীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে কয়েকটি কপি প্রিন্ট করা হতে পারে।” সূত্র জানায়, বেতন কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা নতুন স্কেলে দ্বিগুণের বেশি বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি হতে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত থাকবে ১:৮। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পে স্কেলের জন্য ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পুরো মাত্রায় কার্যকর করতে হলে আরও ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত কাঠামোয় নিচের স্তরে বেতন-ভাতা বেশি বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন নাও হতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারি চাকরিজীবীরা প্রস্তাবে সন্তুষ্ট হবেন। গঠনকালীন ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই এই বেতন কমিশন গঠিত হয়। প্রধান ছিলেন সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খান। কমিশনের ২১ সদস্যকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছিল। বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুসারে বেতন-ভাতা পান। |