| শিরোনাম |
|
সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে এইচআইভি ঢুকিয়ে দিলেন নারী
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে এইচআইভি ঢুকিয়ে দিলেন নারী পুলিশ জানায়, এক চিকিৎসকের শরীরে জোরপূর্বক এইচআইভি-সংক্রমিত ইনজেকশন প্রয়োগের ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আক্রান্ত ওই চিকিৎসক অভিযুক্ত নারীর সাবেক প্রেমিকের স্ত্রী। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন কুর্নুলের বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সী বি বয়া বসুন্ধরা, আদোনির একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ৪০ বছর বয়সী নার্স কঙ্গি জ্যোতি এবং তার দুই সন্তান, যাদের বয়স বিশের কোঠায়। তাদের গত শনিবার আটক করা হয়। পুলিশের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, তিনজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে এবং একটি ভুয়া সড়ক দুর্ঘটনা সাজিয়ে বসুন্ধরা এক চিকিৎসকের শরীরে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করান। ওই চিকিৎসক তার সাবেক প্রেমিকের স্ত্রী। তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন। তারা দাবি করেন, গবেষণার কাজে এসব নমুনা প্রয়োজন। পরে সেই সংক্রমিত রক্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখেন এবং হামলার সময় ইনজেকশনের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর শরীরে প্রবেশ করান। পুলিশ জানায়, সাবেক প্রেমিক অন্য নারীকে বিয়ে করায় বসুন্ধরা তা মেনে নিতে পারেননি। দম্পতিকে আলাদা করার উদ্দেশ্যেই তিনি এই পরিকল্পনা করেন। এজন্য একটি পরিকল্পিত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে সাহায্যের ভান করে এইচআইভি ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গত ৯ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে। ভুক্তভোগী চিকিৎসক কুর্নুলের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক। দুপুরের খাবারের জন্য দায়িত্ব শেষে স্কুটারে করে বাড়ি ফেরার সময় ভিনায়ক ঘাটের কাছে কেসি ক্যানালের পাশে দুই মোটরসাইকেল আরোহী ইচ্ছাকৃতভাবে তার স্কুটারে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় পড়ে আহত হন। তখন অভিযুক্তরা সাহায্যের অজুহাতে এগিয়ে আসে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অটোতে তোলার সময় বসুন্ধরা তার শরীরে এইচআইভি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। |