| শিরোনাম |
|
একটা সময় যারা হ্যাঁ'র বিপক্ষে ছিল তারা বাধ্য হয়ে পক্ষে এসেছে: জামায়াত আমির
গনকণ্ঠ ডেস্ক
|
![]() একটা সময় যারা হ্যাঁ'র বিপক্ষে ছিল তারা বাধ্য হয়ে পক্ষে এসেছে: জামায়াত আমির সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মহেশখালী বড় বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে যাবে, তারা পুরোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। তিনি আরও বলেন, “একটা সময় যারা হ্যাঁ’র বিপক্ষে ছিলো তারা বাধ্য হয়ে হ্যাঁ’র পক্ষে এসেছে।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারগুলো নারীদের এগিয়ে নেওয়া ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ১১ দলীয় ঐক্য ক্ষমতায় এলে নারীদের সম্মান ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তিনি বলেন, “দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ঋণখেলাপি, ব্যাংক ডাকাত—এই নেতৃত্ব দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ হবে না। যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়া যাবে না।” যাদের চরিত্রবল, সততা ও দেশপ্রেম আছে এবং যারা মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে, বাংলাদেশ গড়া হবে তাদের দিয়েই—এমন মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আর হামাগুড়ি দিয়ে বা খুঁড়িয়ে এগিয়ে নেওয়া হবে না। অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী দেশ থেকে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা দেশের বার্ষিক বাজেটের চার গুণ। তিনি বলেন, “এই টাকা জনগণের। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি—ওদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনব এবং সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। তারপর ইনসাফের ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশের যে অঞ্চল যত বেশি বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া, সেই এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন করা হবে। মহেশখালীকে একটি স্মার্ট ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বেকার ভাতার প্রয়োজন পড়বে না বলে দাবি করেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাজের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই কাজ করবে। দল বা ধর্ম নয়, যোগ্যতা ও দেশপ্রেম দেখেই কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।” |