| শিরোনাম |
|
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেয়া যাবে, তবে গোপন কক্ষে ব্যবহার নিষিদ্ধ
ডেস্ক রিপোর্ট :
|
![]() ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেয়া যাবে, তবে গোপন কক্ষে ব্যবহার নিষিদ্ধ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সহকারী সিনিয়র সচিব শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহারের বিষয়ে নতুন করে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভোটারদের গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন এবং কেন্দ্রের বাইরে বা সাধারণ এলাকায় তা বহন করতে কোনো বাধা থাকবে না। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত কিছু ব্যক্তি নির্দিষ্ট প্রয়োজনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, অঙ্গীভূত আনসার বা সাধারণ আনসার-ভিডিপির মধ্যে ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন সদস্য। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি সাংবাদিক এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট এবং সাধারণ ভোটাররাও মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে পারবেন, তবে ভোট প্রদানের সময় গোপন কক্ষে ফোন ব্যবহার করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্বাচন কমিশন। এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানায়। জোটের অন্যতম দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল বহনে নিষেধাজ্ঞা নাগরিক অধিকার পরিপন্থী। তিনি এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন। |