| শিরোনাম |
|
শ্রীলংকার কোচের পদ ছাড়ার ঘোষণা জয়সুরিয়ার
স্পোর্টস ডেস্ক:
|
![]() শ্রীলংকার কোচের পদ ছাড়ার ঘোষণা জয়সুরিয়ার জয়সুরিয়া বলেন, ‘সময় হয়েছে দায়িত্বটা অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার। প্রায় দুই মাস আগে ইংল্যান্ড সিরিজ চলাকালেই বলেছিলাম, আমি দীর্ঘদিন এই পদে থাকতে চাই না। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম বিশ্বকাপে ভালো ফল দিয়ে কোচিং অধ্যায় শেষ করতে পারব। সেটা মনমতো হয়নি, এতে আমি দুঃখিত।’ তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই পদত্যাগ করবেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি। আগামী ১৩ মার্চ থেকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সফর সূচিতে রয়েছে—যদিও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে সেই সিরিজ অনিশ্চয়তায়। বোর্ড চাইলে ওই সফর পর্যন্ত তাকে দায়িত্বে রাখতে পারে। জয়াসুরিয়া বলেন, ‘আমার চুক্তি জুন পর্যন্ত। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডকে কিছু জানাইনি। তারা জানেও না আমি এ কথা বলব। তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। যদি তারা নতুন কাউকে আনতে পারে, অবশ্যই সেটা করা উচিত।’ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন জয়াসুরিয়া। শুরুর কয়েক মাসেই আসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ২০২৪ সালের আগস্টে ভারতের বিপক্ষে ২৭ বছর পর ওয়ানডে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জেতে শ্রীলংকা। এরপর সেপ্টেম্বরে লন্ডনের দ্য ওভালে একটি টেস্ট জয় এবং ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে হারায় তারা। জয়াসুরিয়া বলেন, ‘দেড় বছরে আমরা দলকে বদলে দিতে পেরেছি। ওয়ানডেতে আমরা ছিলাম অষ্টম বা নবম, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও কোয়ালিফাই করতে পারিনি। এখন আমরা চারে। টেস্ট দলকে ছয়ে তুলেছি, টি-টোয়েন্টি দলও ছয় বা সাতের মধ্যে (বর্তমানে অষ্টম)।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি একা এটা করিনি। সহকারী কোচিং স্টাফরা দারুণ সহায়তা দিয়েছেন। শুরু থেকেই তাদের বলেছিলাম আমাকে সাহায্য করতে, কারণ কোচ হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা খুব বেশি ছিল না। তবে খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছে।’ তবে তার মেয়াদের শেষ বছরে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ব্যর্থতাই বেশি আলোচিত হয়েছে। ঘরের মাঠে টানা চার হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, ২০২৫ এশিয়া কাপে মাঝারি মানের পারফরম্যান্স এবং গত বছর পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজে হতাশাজনক ফল—এসবই ছিল বড় ধাক্কা। এর আগে দুই দফায় প্রধান নির্বাচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন সাবেক এই অধিনায়ক। |