বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ১০:০৫:২৯ এএম
শিরোনাম গাসিক এ মাসব্যাপী কর মেলা উদ্বোধন প্রশাসকের বাজার পরিদর্শন        আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উদযাপন করল বিআরবি হসপিটালস        চুনারুঘাটের চা বাগানে এমপি ফয়সলের নেতৃত্বে চলছে উন্নয়ন কাজ        ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রলীগের আকস্মিক মিছিল, সর্বস্তরে সমালোচনার ঝড়        ধোবাউড়ায় নেতাই নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদে অভিযান        ডেমরায় রাজউক– নীরবতা, ইমারত পরিদর্শক মোঃ অমিত হাসান এর বিরুদ্ধে ঘুষ ও অসহযোগিতার অভিযোগ        নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ প্রতিবন্ধী কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার       
কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায ক্ষতিগ্রস্থ ব্রিজ নয় বছরেও ভালো হয়নি যাতায়াতে হাজারো মানুষের কষ্ট
খাজা ময়েনউদ্দিন চিশতি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
Published : Thursday, 5 March, 2026
কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায ক্ষতিগ্রস্থ ব্রিজ নয় বছরেও ভালো হয়নি যাতায়াতে হাজারো মানুষের কষ্ট

কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায ক্ষতিগ্রস্থ ব্রিজ নয় বছরেও ভালো হয়নি যাতায়াতে হাজারো মানুষের কষ্ট

কুড়িগ্রাম জেলার  নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের মাদাইখাল গ্রামে কচুয়ার খালের ওপর দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে একটি কংক্রিটের ব্রিজ। নয় বছর আগে বন্যার পানির তোরে ভেঙে পড়া সেই ব্রিজ আজও যেন নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অবহেলা আর প্রতিশ্রুতির গল্প নিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় পানির তীব্র স্রোতে তা ভেঙে যায়। তারপর থেকে কাঠের পাটাতন বসিয়ে কোনোভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সেটিও এখন প্রায় অনুপযোগী। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন পারাপার করছেন শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষসহ প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

এই ব্রিজের ওপর নির্ভরশীল নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের মাদাইখাল, বড়ভিটা, জামতলা, বিলাতিরভিটা, কচুয়ারপাড়সহ অন্তত ১০টি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি কালিগঞ্জ ও কেদার ইউনিয়নের মানুষও প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পেরিয়ে স্কুল, হাট-বাজার, হাসপাতাল ও কর্মস্থলে যাতায়াত করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ নয় বছরেও ভাঙা ব্রিজটির স্থলে নতুন ব্রিজ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশ্বাস মিললেও বাস্তবায়নের দেখা নেই। ফলে প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়েই চলতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয় আজাহার আলী বলেন, ৯ বছর ধরে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। তার পরেও আমরা কাটের পাটাতন বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। যেকোনো নির্বাচন আসলে, সবাই ব্রিজটি করে দিতে চায়, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে আর কারও দেখা মেলে না।

কচুয়ার পাড় এলাকার রহিমা বেগম বলেন, ব্রিজটি দিয়ে যেতে খুব ভয় লাগে। যদি পা পিছলে নিচে পড়ে যাই। তার পরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হই। এখানে একটা নতুন ব্রিজ হলে ভালোভাবে আমাদের ছেলে মেয়েরা যাতায়াত করতে পারতো।

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখ্খারুল ইসলাম বলেন,খালের গভীরতা ও দৈর্ঘ্য-প্রস্থের সঠিক পরিমাপ অনুযায়ী ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় বন্যার পানির তোড়ে এটি ভেঙে পড়ে। এখন এখানে ভাঙা ব্রিজের স্থলে গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস এ কর্মকর্তার।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com