| শিরোনাম |
|
তিতাসে সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কলেজ খোলার অভিযোগ: কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ঈদের পর তলব
তিতাস, (কুমিল্লা) সংবাদদাতা:
|
![]() তিতাসে সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কলেজ খোলার অভিযোগ: কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ঈদের পর তলব রমজানকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সুনির্দিষ্ট সরকারি নির্দেশনা থাকলেও গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) তিতাস উপজেলার উক্ত কলেজটি খোলা রেখে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় সংবাদকর্মী কবির হোসেনের একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা একে ‘প্রশাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ হিসেবে অভিহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংবাদকর্মী সরাসরি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের কার্যালয়ে গেলে তিনি উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ‘মিটিং’ এর অজুহাতে প্রায় এক ঘণ্টা সংবাদকর্মীকে বসিয়ে রাখেন। দীর্ঘ অপেক্ষায়ও তিনি দেখা দেননি। পরবর্তীতে বক্তব্য চেয়ে ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজে কোনো সদুত্তর না দিয়ে প্রতিষ্ঠানের আইসিটি প্রভাষক শাহিদুল ইসলামের সাথে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে দায় এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে তিতাস উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই এবং এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি আমি অবগত আছি। ঈদের পর কলেজ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দপ্তরে ডাকা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা—সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে এমন ধরনের কাজ যেন কোনো প্রতিষ্ঠান আর না করে।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, যখন সারাদেশে সরকারি নিয়ম মেনে ছুটি পালিত হচ্ছে, তখন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমন আচরণ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। শিক্ষা অফিসের এই সতর্কবার্তার পর এলাকার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও এখন বিশেষ সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিতাসবাসী আশা করছেন, আইনের শাসন বজায় রাখতে প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কঠোর ভূমিকা পালন করবে। |