| শিরোনাম |
|
গলাচিপায় ন্যায্য মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে সরকারি অনুমোদিত ডিলার রাসেল ষ্টোর
ষ্টাফ রিপোর্টার: (পটুয়াখালী):
|
পটুয়াখালীর গলাচিপায় ন্যায্য মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে একমাত্র সরকারি অনুমোদিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ডিলার মেসার্স রাসেল ষ্টোর। বহির্বিশ্বের চলমান পরিস্থিতিতে দেশে কৃত্রিম জ্বালানি তেলের সংকোট দেখিয়ে কিছু অসাধু তেল বিক্রেতা অস্থিরতা সৃষ্টি করলে সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন হুশিয়ারী নোটিশ দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক জনাব, ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী। অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলায় দীর্ঘ বছর ধরে সুনামের সাথে একমাত্র সরকারি নিয়মঅনুযায়ী ন্যায্য মূল্যে পেট্রোল, ডিজেল কেরোসিন ও অকটেন বিক্রি করছেন মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ডিলার মেসার্স রাসেল ষ্টোর। যা জ্বালানি তেল ক্রেতা পরিবহন মালিক, কৃষক জনগোষ্ঠীরা অনেক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বলে বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে জানা যায়। এবিষয়ে একমাত্র সরকারি অনুমোদিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ডিলার মেসার্স রাসেল ষ্টোরের প্রোপ্রাইটার মোঃ রাসেল গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বিগত প্রায় দুই যুগ ধরে গলাচিপা উপজেলা সরকারি নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। গলাচিপা উপজেলায় প্রতি সপ্তাহে ২ লাখ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হতো। বর্তমান সময় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ঝালকাঠি (ডিপো) কর্তৃপক্ষ চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল দিচ্ছে না। যাও দিচ্ছে তা চাহিদার ৩ ভাগের ১ ভাগ'ও তেল দিচ্ছে, যার ফলে প্রত্যান্ত অঞ্চল এবং শহর অঞ্চলে জ্বালানি তেলের অভাবে কৃত্রিম সংকোট দেখা দিয়েছে। পেট্রোল সরকারি খুচরা মূল্য ১২০ টাকা অকটেন ডিজেল ১০০ টাকা ও কেরোসিন টাকা দরে জ্বালানি তেল বিক্রি করছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ য়ে সকল অসাধু তেল বিক্রেতারা জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে সেন্ডিকেট হয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছেন,তাদের বিরুদ্ধে আইনানুসারে ব্যাবস্থা নিতে পারলে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা কমে আসবে আমারা বিশ্বাস করি। এবিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, উপজেলার একমাত্র সরকারি অনুমোদিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ডিলার মেসার্স রাসেল ষ্টোর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিক্রি করছেন বলে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি। এছাড়া দেশে এখনো জ্বালানি তেলের কোন সংকট পরিস্থিতি দেখা দেয়নি, আমরাও এই কৃত্রিম সংকোট মোকাবিলায় খোঁজ খবর রাখছি, যে সকল অসাধু তেল বিক্রেতা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে জনদূর্ভোগ তৈরী করবে,তাদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |