মঙ্গলবার ৯ জুন ২০২৬ ০৫:০৬:১৮ এএম
শিরোনাম সুন্দরবনের উপকূলে বারোমাসি কাটিমন আমের বিপ্লব কৃষক মুকুলের সফলতায় বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র       ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দু'পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচজন গ্রেপ্তার        চট্টগ্রাম নগর যুবদলের আনন্দ মিছিল       এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ, কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি এতিম শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ, কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি       জিয়ার শাহাদত বার্ষিকীতে বগুড়ায় আইনজীবী ফোরমের দোয়া ও খাদ্য বিতরণ       হাদি হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত তা স্পস্ট করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব-বোন মাছুমা হাদি       প্রতি বছর ৩৫ লাখ টন খাদ্য যায় ময়লার ঝুড়িতে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী      
উত্তরের তিস্তা, দক্ষিণের পদ্মা: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের উন্নয়নে তারেক রহমানের দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা
জুবাইয়া বিন্তে কবির
Published : Thursday, 21 May, 2026
উত্তরের তিস্তা, দক্ষিণের পদ্মা: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের উন্নয়নে তারেক রহমানের দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা
বাংলাদেশের ভূগোল যেন নদীরই এক দীর্ঘ কবিতা যেখানে পদ্মা ও তিস্তা কেবল দুটি জলধারা নয়, বরং দুটি ভিন্ন জনপদের জীবনরেখা, দুটি ভিন্ন সভ্যতার স্পন্দন। একদিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের যন্ত্রণা, অন্যদিকে উত্তরের খরাপীড়িত কৃষিজীবনের অনিশ্চয়তা এই দুই বিপরীত বাস্তবতা মিলেই গড়ে উঠেছে এক জটিল জাতীয় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে উন্নয়নকে কেবল অবকাঠামোগত অর্জনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে তাকে পরিবেশ, কৃষি, জলবায়ু ও মানবজীবনের গভীর বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করার যে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে, তা বাংলাদেশের উন্নয়নচিন্তায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই বৃহৎ প্রেক্ষাপটে জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নাম উচ্চারিত হচ্ছে একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে যেখানে উন্নয়ন মানে কেবল সড়ক, সেতু বা নগরায়ণ নয়; বরং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, কৃষকের পানি অধিকার, উপকূলের লবণাক্ততার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাসে নদীর প্রশ্ন সবসময়ই কেন্দ্রে থেকেছে, কিন্তু অনেক সময় তা নীতিনির্ধারণের আনুষ্ঠানিক আলোচনার বাইরে বাস্তব সমাধানে রূপ নিতে পারেনি। অথচ আজকের বিশ্ব বাস্তবতা বলছে পানি আর কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি জাতীয় টিকে থাকার কৌশলগত উপাদান। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, আন্তঃসীমান্ত নদীর প্রবাহ-নিয়ন্ত্রণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির ক্রমহ্রাসমান অবস্থা মিলিয়ে বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তা এখন সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত।
এই বাস্তবতায় পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকাকে কেন্দ্র করে যেসব পরিকল্পনার কথা আলোচনায় এসেছে, তা শুধু নদী ব্যবস্থাপনার প্রকল্প নয়; বরং একটি সমন্বিত রাষ্ট্রচিন্তার প্রতিফলন, যেখানে দক্ষিণ ও উত্তর—দুই ভিন্ন ভৌগোলিক সংকটকে একক নীতিগত কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা দেখা যায়।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পদ্মা অববাহিকা আজ লবণাক্ততার চাপে বিপর্যস্ত। কৃষিজমি হারাচ্ছে উর্বরতা, সুপেয় পানির সংকট তীব্র হচ্ছে, আর সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্যও ধীরে ধীরে চাপের মুখে পড়ছে। অন্যদিকে উত্তরের তিস্তা অববাহিকা শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্যতায় আক্রান্ত, যেখানে কৃষকের জীবন প্রায়শই নির্ভর করে অনিশ্চিত বর্ষার ওপর। এই দুই বাস্তবতার মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রশ্নটি আর সাধারণ অবকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি একটি অস্তিত্বগত প্রশ্নে রূপ নিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে নদী ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে যে বৃহৎ পরিকল্পনার ধারণা সামনে এসেছে, তা মূলত তিনটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন, পরিবেশগত স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠন। বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা গেলে কৃষি উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমে আসে এবং নদীর ন্যূনতম প্রবাহ বজায় থাকায় জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি তিস্তার পানিপ্রবাহের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সেখানে পানির সংকট মানে শুধু ফসলহানি নয়; বরং কর্মসংস্থান সংকোচন, আয়হ্রাস এবং দারিদ্র্যের পুনরুৎপাদন। দীর্ঘদিন ধরে যে অঞ্চলে মৌসুমি দারিদ্র্য একটি সামাজিক বাস্তবতা হিসেবে বিদ্যমান, সেখানে স্থিতিশীল সেচব্যবস্থা গড়ে উঠলে অর্থনৈতিক কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আসতে পারে। কৃষি অর্থনীতিতে বহুফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া মানে শুধু খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি নয়; বরং গ্রামীণ শিল্প, বাজারব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের পুনর্জাগরণ।
একইভাবে দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং মিঠাপানির প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে কৃষিজমি পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলীয় জনপদের জীবনমানেও পরিবর্তন আসবে। এটি শুধু কৃষি উন্নয়ন নয়; বরং একটি সমন্বিত পরিবেশ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া।

এই সমগ্র দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য হলো উন্নয়নকে খণ্ড খণ্ড প্রকল্প হিসেবে না দেখে একটি আন্তঃসম্পর্কিত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা। পানি, কৃষি, পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জনস্বাস্থ্য সবকিছুকে একই নীতিগত কাঠামোর মধ্যে আনার যে ধারণা, তা আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা এই চিন্তাকে আরও জরুরি করে তুলেছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘ খরা, ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার বিস্তার সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন জলবায়ু ঝুঁকির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। এই পরিস্থিতিতে পানি সংরক্ষণভিত্তিক অবকাঠামো কেবল উন্নয়ন নয়; এটি টিকে থাকার কৌশল।

এই প্রেক্ষাপটে খাল পুনঃখনন, নদী পুনরুদ্ধার এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলোকে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে। একসময় বাংলার গ্রামীণ অর্থনীতি খালনির্ভর ছিল যা কৃষি, যোগাযোগ ও পানি ব্যবস্থাপনার সমন্বিত কাঠামো তৈরি করেছিল। সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনার মাধ্যমে পুনর্গঠন করলে টেকসই উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হতে পারে।

দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশের জন্য গবেষণাভিত্তিক প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন এবং খরার মতো বহুমাত্রিক দুর্যোগের সঙ্গে অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে আধুনিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কাঠামো অপরিহার্য। এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু প্রতিক্রিয়াশীল নয়, বরং প্রস্তুত ও সক্ষম করে তুলতে পারে।

রাষ্ট্রচিন্তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে পানি ব্যবস্থাপনার সম্পর্ক। আজকের ভূরাজনীতিতে পানি ক্রমশ একটি কৌশলগত সম্পদে পরিণত হয়েছে। আন্তঃসীমান্ত নদীর প্রবাহ, উজানের নিয়ন্ত্রণ এবং জলবণ্টন নিয়ে আন্তর্জাতিক সমীকরণগুলো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই বাস্তবতায় অভ্যন্তরীণ পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হয়ে দাঁড়ায়।

এই সমগ্র প্রেক্ষাপটে জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  উন্নয়নচিন্তা একটি সমন্বিত রাষ্ট্রদর্শনের ইঙ্গিত দেয় যেখানে উন্নয়ন কেবল দৃশ্যমান অবকাঠামো নয়, বরং অদৃশ্য জীবনব্যবস্থার পুনর্গঠন। নদীকে কেন্দ্র করে কৃষি, কৃষিকে কেন্দ্র করে অর্থনীতি, আর অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে মানুষের জীবনমান এই ধারাবাহিকতা একটি সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের রূপরেখা তৈরি করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে কারণ এটি উন্নয়নকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে সংযুক্ত করে। বর্তমানের সিদ্ধান্ত যদি ভবিষ্যতের পরিবেশ, কৃষি ও পানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে, তবে সেই সিদ্ধান্তের গভীরতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই উন্নয়ন এখানে আর তাৎক্ষণিক ফলাফলের বিষয় নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাও মূলত এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে উন্নয়ন মানে স্থায়ী সমাধান, অস্থায়ী প্রতিশ্রুতি নয়। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে পাওয়া, কৃষকের সেচনির্ভরতা কমানো, উপকূলের লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা এবং শহর-গ্রামের পানি বৈষম্য হ্রাস করা এসবই এখন জনআকাঙ্ক্ষার অংশ। 

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও আশার উচ্চারণ : ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যেসব নেতা সময়ের চেয়ে বড় স্বপ্ন দেখতে পারেন, তারাই একদিন জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করেন। পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণের ঘোষণার মধ্য দিয়ে জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তার পরিচয় দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তিনি বুঝিয়েছেন নদীকে বাঁচানো মানে কৃষককে বাঁচানো, কৃষককে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো। আজ যখন জলবায়ু পরিবর্তন, খরা, লবণাক্ততা ও পানি সংকট বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন তাঁর এই মহাপরিকল্পনা কোটি মানুষের মনে নতুন আস্থা জাগিয়েছে। দক্ষিণের পদ্মা ও উত্তরের তিস্তাকে ঘিরে যে উন্নয়ন ভাবনা তিনি সামনে এনেছেন, তা কেবল অবকাঠামো নির্মাণ নয়; এটি মানুষের জীবন, প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ করার দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার। মানুষ এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দক্ষ পরিকল্পনা ও জাতীয় ঐক্য বজায় থাকে, তবে আবারও প্রাণ ফিরে পাবে বাংলার নদীগুলো। খরায় পুড়ে যাওয়া মাঠ সবুজে ভরে উঠবে, কৃষকের ঘরে ফিরবে স্বস্তি, নদীতে ফিরবে মাছ, সুন্দরবন ফিরে পাবে তার প্রাণশক্তি। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে চলেছেন দেশনায়ক তারেক রহমান। কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও প্রত্যাশা আজ তাঁকে ঘিরে রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, তার এই দূরদর্শী উন্নয়ন ভাবনার মধ্য দিয়েই একদিন বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও টেকসই রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে নতুন মর্যাদায় মাথা তুলে দাঁড়াবে।

লেখক : জুবাইয়া বিন্তে কবির
অর্থনীতিবিদ, গবেষক সাংবাদিক ও কলামিস্ট



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com