| শিরোনাম |
|
*আনসার ভিডিপি ব্যাংকের নোয়াখালী-সেনবাগ শাখার ঋণ কেলেঙ্কারি: চার্জশিট আটকে রাখার অভিযোগ ডিএমডির বিরুদ্ধে, তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ*
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক গণকণ্ঠ
|
![]() *আনসার ভিডিপি ব্যাংকের নোয়াখালী-সেনবাগ শাখার ঋণ কেলেঙ্কারি: চার্জশিট আটকে রাখার অভিযোগ ডিএমডির বিরুদ্ধে, তদন্তে ধীরগতির অভিযোগ* তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি দৈনিক গণকণ্ঠ। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, নোয়াখালী ও সেনবাগ অঞ্চলের ঋণ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত তদন্ত শেষে প্রস্তুত হওয়া চার্জশিট ফাইল গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডিএমডির দপ্তরে আটকে রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ফাইলটি যথাসময়ে এমডির কার্যালয়ে পাঠানো হলে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হতে পারত। অভিযোগকারীদের দাবি, চার্জশিট প্রক্রিয়ার অগ্রগতি না হওয়ায় তদন্ত কার্যক্রমও ধীরগতির মুখে পড়েছে। তাদের কেউ কেউ আরও অভিযোগ করেছেন, একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তাকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে চার্জশিট দাখিলে বিলম্ব করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো সরকারি নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। এদিকে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তাদের দাবি, অতীতে কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়াও দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হয়েছিল এবং সেখানেও সংশ্লিষ্ট ডিএমডির ভূমিকা ছিল। যদিও এ অভিযোগেরও স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগকারীদের আরও দাবি, নোয়াখালী অঞ্চলের কয়েকটি শাখার অডিটে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে এলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মতে, এ ধরনের বিলম্ব ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতসংশ্লিষ্ট কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতে, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়, তাহলে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্যও উদ্বেগজনক। তাদের ভাষ্য, জনগণের আমানতের অর্থ নিয়ে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা প্রভাব খাটিয়ে সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলেও তারা মনে করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা একই সঙ্গে সতর্ক করেছেন, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়। তাদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত, নথিভিত্তিক যাচাই এবং দায়িত্বশীল প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন সম্ভব। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিএমডির বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দৈনিক গণকণ্ঠ মনে করে, উত্থাপিত অভিযোগগুলো সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীদের বক্তব্য জনসম্মুখে আসাও জরুরি। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। |