| শিরোনাম |
|
নোয়াখালীতে শিবির কর্মির কবরে মিলল বুলেট, ১১ বছর পর মরদেহ উত্তোলন
নিজস্ব প্রতিবেদক,নোয়াখালী:
|
![]() নোয়াখালীতে শিবির কর্মির কবরে মিলল বুলেট, ১১ বছর পর মরদেহ উত্তোলন সে ওই সময় স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার্থী ছিলেন এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। জানা যায়, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশের পর মঙ্গলবার দুপুরে পারিবারিক কবরস্থান থেকে সজীবের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এসময় কবরে একটি বুলেট পাওয়া যায়। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাবেল উদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঈনুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, আদালতের নির্দেশে কবর থেকে সজীবের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। এসময় কবর থেকে বুলেট সদৃশ একটি বস্তুু উদ্ধার করা হয়। পরীক্ষার পর বলা যাবে এটি বুলেট কিনা। উল্লেখ্য, কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামী অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে জামায়েত ইসলামী ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সজীবসহ চার জন শিবির নেতাকর্মির মৃত্যু হয়। পরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের চার নেতা-কর্মিকে হত্যার ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুজ্জামানসহ ১১২ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয় আদালতে। পরে আদালতের নির্দেশে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়। এ ছাড়া মামলায় আসামি করা হয় কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপপরিদর্শক সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, শিশির কুমার বিশ্বাস ও উক্যসিং মারমা। |