বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৪:৩০ পিএম
শিরোনাম বগুড়ায় মম ইন য়ে সভায় চিত্রনায়ক হেলাল খান        রেসিং ট্র্যাকে পরিণত মুরাদনগরের নহল চৌমুহনী–বাখরাবাদ সড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা       খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান       মেঘনায় নৌপথে চাঁদাবাজি: ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৩       অধিনায়কদের সম্মানে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ চালু করছে বিসিবি       আরব সাগরে জাহাক্ষেপণাস্ত্র জ-বিধ্বংসী নিক্ষেপ পাকিস্তানের        লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে পর্যটক নিখোঁজ      
হজের সময় ডায়াবেটিসের রোগীর পায়ের যত্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
Published : Saturday, 3 May, 2025
হজের সময় ডায়াবেটিসের রোগীর পায়ের যত্ন

হজের সময় ডায়াবেটিসের রোগীর পায়ের যত্ন

প্রতিবছর পবিত্র হজ পালনে লাখো মুসলমান সৌদি আরবে যান। তাঁদের কারও কারও নানা রকম শারীরিক সমস্যা থাকে। এর মধ্যে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর নানারকম জটিলতা থাকতে পারে, তার মধ্যে স্নায়বিক জটিলতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ধরনের জটিলতার কারণে প্রতিবছর ডায়াবেটিসে আক্রান্ত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগী হজের সময় পায়ে ঘা, সংক্রমণ, পায়ের আলসার ও অন্যান্য জটিলতায় ভোগেন। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর হজ পালনের ক্ষেত্রে পায়ের অবস্থা জানা ও পায়ের যতেœ বিশেষ নজর দিতে হবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৫ শতাংশ হজযাত্রী ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথিতে ভোগেন, যা পায়ের ক্ষত বা ঘায়ের মতো জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হজযাত্রীদের চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের বড় কারণগুলোর একটি হলো পায়ের আলসার। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারেরও প্রয়োজন হয়। হাঁটতে গিয়ে ৩১ শতাংশ হজযাত্রীর পায়ে ফোসকা পড়ে আর পা ফুলে যায় ২৫ শতাংশের।

অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিসের রোগীর পায়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়া, দুর্বল ক্ষত নিরাময় এবং নিউরোপ্যাথি ও পেরিফেরাল ভাসকুলার রোগের কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা পরবর্তী সময়ে গুরুতর জটিলতায় পড়েন।

ঝুঁকি কমাতে যা করবেন

* দীর্ঘ সময় হাঁটা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে পায়ে সৃষ্ট ফাটল রোধে ডায়াবেটিসের রোগীদের প্রতিদিন দুবার ভালো মানের গন্ধহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। কারণ, ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির রোগীর পায়ের ত্বক শুষ্ক থাকে ও সহজেই ফাটে। সেই ফাটল দিয়ে সংক্রমণ প্রবেশ করতে পারে।

* রাতে সব কাজের শেষে নিজের পা ভালো করে দেখে নেওয়া দরকার। সারা দিন হাঁটার পর পায়ে ব্যথা বা কামড়ালে গরম পানিতে পা ডোবানো যাবে না।

* এক স্থান থেকে অন্য স্থানের দূরত্ব ৫ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মোটরচালিত যান বা হুইলচেয়ার ব্যবহার করা নিরাপদ।

* জুতা পরা নিষেধ, এমন এলাকায় প্যাডেড মোজা ব্যবহার করা আবশ্যক। একেবারে খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। এতে চোট পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

* হাঁটার প্রস্তুতি হিসেবে হালকা ওজনের, পায়ের গোড়ালি ও বলের প্যাডিংসহ নরম প্যাডেড জুতা সঙ্গে রাখতে হবে। পা পরীক্ষা করার জন্য একটি আয়না, অ্যান্টিসেপটিক মলম ও ছোট ক্ষত নিরাময়ে ড্রেসিং করার জন্য গজ কাপড় ও আয়োডিন সলিউশন ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে।

* পা সব সময় শুকনা রাখা উচিত।

* সন্দেহজনক ক্ষেত্রে অপরিবর্তনীয় টিস্যু ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে প্রফাইল্যাকটিক অ্যান্টিবায়োটিক বা ছত্রাকরোধী মলম বা ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মবিধি জেনে নিয়ে সঙ্গে রাখতে পারেন।

ডা. শাহজাদা সেলিম, সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »





আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com