রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:০২:৫৫ এএম
শিরোনাম লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি মোটরসাইকেল       রূপগঞ্জে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ        পটুয়াখালী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পথসভায় জনতার ঢল।       রূপগঞ্জে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ        দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন ও খাম্বা চুরি করে পালানো শক্তিই জামায়াতের শান্তিপূর্ণ প্রচারণায় হামলা চালাচ্ছে — ভিপি রিয়াজুল ইসলাম       নীলফামারীর জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান       “মানুষ আগে, রাজনীতি পরে” এই প্রত্যয়ে ত্রিশালে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার সাদাতের ইশতেহার ঘোষণা       
‘কাশ্মীরে ৯৩ শতাংশ মানুষ মুসলিম, তারা ভারতের সঙ্গে থাকতে চায় না’
নিজস্ব প্রতিবেদক :
Published : Monday, 12 May, 2025
‘কাশ্মীরে ৯৩ শতাংশ মানুষ মুসলিম, তারা ভারতের সঙ্গে থাকতে চায় না’

‘কাশ্মীরে ৯৩ শতাংশ মানুষ মুসলিম, তারা ভারতের সঙ্গে থাকতে চায় না’

কাশ্মীর সংকটই পাকিস্তান-ভারত দ্বন্দ্বের মূল কেন্দ্রবিন্দু এবং অঞ্চলটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে কাশ্মীরিদের মতামতকে উপেক্ষা করা অযৌক্তিক—এমনটাই মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব আয়াজ আহমদ চৌধুরী।

জিও পাকিস্তানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের ৯৩ শতাংশ মানুষ মুসলিম, কিন্তু ১৯৪৭ সালে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই অঞ্চল পাকিস্তানের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

‘কাশ্মীরে ৯৩ শতাংশ মানুষ মুসলিম, তারা ভারতের সঙ্গে থাকতে চায় না’
তার মতে, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা আবারও প্রমাণ করেছে, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ভারতের উচিত বুঝে নেওয়া যে কাশ্মীরিরা তাদের সঙ্গে থাকতে চায় না। তাদের দমননীতিই সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে।’


আয়াজ চৌধুরী আরও বলেন, পাকিস্তানের ‘পরিমিত পাল্টা জবাবে’ ভারতের আতঙ্ক এটা প্রমাণ করে, ন্যায়বিচারের শক্তি এখনো আছে। তার মতে, ভারত যত দ্রুত বাস্তবতা মেনে আলোচনা শুরু করবে, ততই উভয় দেশের মঙ্গল।

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ২০১৯ সালে ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকেই অঞ্চলটিতে স্বায়ত্তশাসন বিলুপ্ত এবং রাজনৈতিক অধিকার খর্ব হয়েছে। সেই সময় হাজারো রাজনীতিককে গ্রেফতার করা হয়, ইন্টারনেট বন্ধ থাকে মাসের পর মাস, এবং কড়া সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত থাকে।

মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছেন, কাশ্মীরে মানুষের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ এক হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই পর্যটক ছিলেন। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তইয়্যেবাকে দায়ী করে।

এরপর ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিন্ধুর’ নামে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও পাঞ্জাবে ১৪টি স্থানে বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে পাকিস্তানও ভারতের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়, যার ফলে দুদেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়।

চীন, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যস্থতায় ১০ মে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, কাশ্মীর সংকট থেকে নজর সরিয়ে রাখলে এই যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







সর্বশেষ সংবাদ
⇒সর্বশেষ সব খবর...
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪,হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০৩-৪
ই-মেইল : pressgonokantho@gmail.com, videogonokantho@gmail.com, cvgonokantho@gmail.com, editorgonokantho@gmail.com, web : www.gonokantho.com