| শিরোনাম |
|
রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত নয়, ‘নিরপেক্ষভাবে’ কাজ করছি : ইসি সানাউল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত নয়, ‘নিরপেক্ষভাবে’ কাজ করছি : ইসি সানাউল্লাহ বুধবার (২১ মে) সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পঞ্চম সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সানাউল্লাহ এ কথা বলেন। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সিইসির সভাকক্ষে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়। সিইসির সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় নির্বাচন ভবনের বাইরে এনসিপির বিক্ষোভ চলছিল। এনসিপির আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মতামত দিতে চাই না।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘দল ও প্রার্থী নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা নিয়ে বৈঠক করেছি। দুটোই বিশদভাবে আলোচনা হয়েছে। খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি এ নিয়ে কাজ করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করবে। তবে সংস্কার উদ্যোগ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে। অপরাপর সংশোধনীর বিষয় আছে। ততদিন পর্যন্ত হয়তো আমাদের অপেক্ষা করা লাগতে পারে এই জিনিসগুলো চুড়ান্ত করার জন্য। তবে নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আচরণ বিধিমালার সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রম জড়িত। সেটা হলেই এটা চূড়ান্ত করা হবে।’ ঢাকা দক্ষিণের মেয়রের ব্যাপারে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা কোন কোন আইনের বলে কাজ করেছি, তা হলো-গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ-১৯৭২, অনুচ্ছেদ ৫০; স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন আইন-২০০৯, ধারা ৫৪; স্থানীয় সরকার ও পৌরসভা বিধিমালা-২০১০ বিধি, ধারা ৫৪; উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০১৩, ধারা ৫৬; স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন বিধিমালা-২০১০; ধারা ৫৪। এগুলোতে বলা আছে, নির্বাচন দরখাস্তে কাকে পক্ষভুক্ত করা যাবে। সেখানে নির্বাচন কমিশনকে কোনো পক্ষভুক্ত করার আইন নেই।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী সব ধরনের আইনবিধি পযালোচনা করা হয়েছে, তাতে ইসির পক্ষভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া অতীতেও ইসির এ ধরনের পক্ষভুক্ত হওয়ার নজির নেই। সুতরাং পক্ষভুক্ত হওয়ার ব্যাপারটি আইন আমাদের সুযোগ দেয়নি।’ |