| শিরোনাম |
|
সাবেক কাউন্সিলর বাদল মোল্লার আশীর্বাদে আব্দুর রাজ্জাকের অবৈধ সম্পদের পাহাড়
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() সাবেক কাউন্সিলর বাদল মোল্লার আশীর্বাদে আব্দুর রাজ্জাকের অবৈধ সম্পদের পাহাড় মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক শেরপুরের খারজান গ্রামের মোঃ সামছু উদ্দীন ও রাশিদা বেগম এর সন্তান। রাজ্জাকের উত্থ্যানের গল্পটা শুরু হয় এজেন্সির ব্যবসা দ্বারা। বিদেশ পাঠানোর নাম করে হাতিয়ে নেয় কোটি টাকা। এর পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন,তারা প্রমাণসহ এসব অভিযোগ জানালেও, রাজ্জাক তাদের অর্থ আত্মসাৎ করে পালিয়ে যায়। শুরু করেন প্রতারণার নতুন চাল। কৌশলে বাদলের সঙ্গে করেন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, গড়ে তোলেন নিজের সাম্রাজ্য। করেন ভূমি দখল, চাদাবাজি এবং দেখান ভয়ভীতি। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, রাজ্জাক এসব নেতার সহায়তায় ভূমি দখল, চাদাবাজি এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে নিজের জমি লিখিয়ে নিতেন। তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারির মত অভিযোগও রয়েছে। এসব জিনিসের সত্যতা যাচাই করতে গেলে উঠে আসে আরো ভয়ংকর চিত্র। সম্পদের পাহাড় বিলাসী জীবন কি নেই আব্দুর রাজ্জাকের , তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ বসবাসরত তার ফ্ল্যাট। যা দেখলে যে কারো চোখ কপালে উঠবে। আব্দুর রাজ্জাকের ব্যাক্তিগত সম্পদের হিসাব এবং ইনকাম ট্যাক্স এর মধ্যে রয়েছে আকাশ পাতাল ফারাক, যার নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন গণমাধ্যম কর্মী। রাজ্জাকের অবৈধ আয়ের উৎস এবং তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দেখে যে কেউ চমকে যাবে। তার সম্পদের হিসাব করতে গেলে তা সম্পূর্ণ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রয়োজন। সূত্র বলছেন সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগে একটি দশতলা ভবনেই রয়েছে ২২টি ফ্ল্যাট। ১৮ কাঠা,৬ কাঠা, ৫ কাঠার রয়েছেন অসংখ্য প্লট। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে একাধিক বহুতল ভবন ছাড়াও আরও বহু জায়গায় রয়েছে নামে বেনামি অবৈধ সম্পত্তি । দুবাইতেও তার অবৈধ সম্পদের খবর সত্যতার প্রমাণ মিলেছে ,যা নিয়ে এখনো তদন্ত চলমান। রয়েছে একাধিক অসংখ্য ব্যাংকে হিসাব ও ফিক্সড ডিপোজিট। এ ব্যাপারে দূদক এর একজন কর্মকর্তা গনমাধ্যম কর্মীকে জানান সকলের সহযোগিতায় খুব দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিবেন। সূত্র বলছেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মত গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। তার প্রতিটি ভবনে অবৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। যার বেশ কয়েকটি চিত্র এসেছেন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে। এসব অবৈধ গ্যাস সংযোগ তিনি তিতাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ব্যাবহার করে অর্থ দিয়ে চালিয়ে যেতেন। এইসব কারসাজি ধামাচাপা দিতে ব্যাবহার করেন অর্থ রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার। ![]() সাবেক কাউন্সিলর বাদল মোল্লার আশীর্বাদে আব্দুর রাজ্জাকের অবৈধ সম্পদের পাহাড় রাজ্জাকের অজানা রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। এক সময় তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন, নিচ্ছিলেন আওয়ামী লীগ এমপি নির্বাচন করার প্রস্তুতি । ৫ আগষ্টের পরে তিনি বনে যান জামাআত , যদিও সুবিধা করতে না পেরে পরে বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি নিজেকে সাংবাদিক ও বি এন পি কর্মী দাবি করে বেড়ান। ৫ আগস্টের পরে বেশ কিছু দিন লোক চক্ষুর আড়ালে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক । এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি তাদের দলের কেউ নন। সময়ের পালাক্রমে পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচনে করার পরিকল্পনা করেছেন বলে জানা যায়, যদিও এটি তার প্রতারণার আরেকটি ফাঁঁদ। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এক ভুক্তিভুগী জানান, ''তার অভিনব রাজনৈতিক কৌশলে আমরা অতিষ্ঠ। '' মোহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক নিজেকে একজন উকিল হিসেবে পরিচয় দেন, যদিও তার আইনজীবী হিসেবে কাজ করার কোনো বৈধতা আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। রয়েছে নানান বিতর্ক, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি স্থানীয়দের মারধর, ভয়ভীতি এবং হামলা-মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাদের ঠকিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র জানান, জুলাই গনহত্যার ২০ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করেন আব্দুর রাজ্জাক। বাদলের বিশেষ সহযোগী সাজু, ![]() সাবেক কাউন্সিলর বাদল মোল্লার আশীর্বাদে আব্দুর রাজ্জাকের অবৈধ সম্পদের পাহাড় এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্ট নামে একটি পত্রিকার মালিক ও বি এন পি ২০১৪ সালের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক পরিচয় তুলে ধরেন এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেন। শুধু তাতেই সীমাবদ্ধ না, সাংবাদিকদের হলুদ সাংবাদিক চাঁদা কত লাগবে এই ধরনের কথা বলেন। যদিও সাথে সাথে অন্য সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ফোন কেটে দেন। ভুক্তভোগীরা তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যাবস্থা ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতায় তারা তার বিরুদ্ধে সঠিক বিচার দাবি করছেন। |