| শিরোনাম |
|
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক দল গড়লেন ইলন মাস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক :
|
![]() যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক দল গড়লেন ইলন মাস্ক শনিবার (৫ জুলাই) মাস্ক তার মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন। তিনি লিখেছেন, æদুই-এক ব্যবধানে, আপনারা নতুন রাজনৈতিক দল চেয়েছেন এবং আপনারা তা পেতে চলেছেন!” মাস্ক আরও বলেন, æআজ ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠিত হলো— আপনাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে।” এই ঘোষণাটি এসেছে এমন এক সময়, যখন মাস্ক ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করেছে। মাস্কের রাজনৈতিক দল গঠনের ভাবনা একদম নতুন নয়। ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার সময় তিনি এক্স-এ একটি জরিপ চালান, যেখানে ব্যবহারকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন আছে কি না। অধিকাংশ উত্তরদাতা এতে সমর্থন জানায়। সেই জরিপের ফলাফলকেই এবার বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছেন মাস্ক। তবে এই নতুন দলটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। শনিবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইলেকটোরাল কমিশন (FEC)-এর নথিতে আমেরিকা পার্টির আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মাস্কও দলটির নেতৃত্ব, নীতিমালা বা সংগঠন কাঠামো নিয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। উল্লেখ্য, এলন মাস্ক ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম বড় আর্থিক সহযোগী ছিলেন। তিনি ট্রাম্পের প্রচারণায় প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন এবং নির্বাচনের পর তাকে ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিশিয়েন্সি (DOGE)’-এর প্রধান করা হয়। এই দপ্তরের কাজ ছিল কেন্দ্রীয় বাজেটে খরচ কমানোর পরিকল্পনা তৈরি করা। কিন্তু চলতি বছরের মে মাসে ট্রাম্প প্রশাসন থেকে বেরিয়ে আসেন মাস্ক। এরপর তিনি প্রকাশ্যে ট্রাম্পের ‘ট্যাক্স ও বাজেট পরিকল্পনা’র সমালোচনা করেন, যা ট্রাম্প নিজে ‘বিগ, বিউটিফুল বিল’ বলে উল্লেখ করেছেন। বিলটি কংগ্রেসে অল্প ব্যবধানে পাস হয় এবং সম্প্রতি ট্রাম্প তা স্বাক্ষর করে আইন হিসেবে অনুমোদন দেন। বিশাল এই আইনটিতে বিপুল পরিমাণ সরকারি খরচ এবং কর হ্রাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার ফলে আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি ৩ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই ইলন মাস্ক নতুন দল গঠনের ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্পসহ গোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তার ভাষায়, æযখন ব্যাপক অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের দেশকে দেউলিয়া করে দেওয়া হচ্ছে, তখন আসলে আমরা একদলীয় শাসনের মধ্যেই আছি— গণতন্ত্রে নয়।” তথ্যসূত্র : বিবিসি |