| Headline |
|
সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের মামলা: সামিরা ও তার মায়ের খোঁজ মিলছে না
|
|
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ প্রয়াত হন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন জল্পনা থাকলেও কার্যকর কোনো তদন্ত কখনো হয়নি। এই নতুন নির্দেশের পরে সালমানের মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি ও খল অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। সালমান শাহর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, নায়ককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সালমানের মা নীলা চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, আগে হত্যা মামলা করার সময় পুলিশ সেটি অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেছিল। পুলিশ জানিয়েছিল, “যদি তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায় যে এটি হত্যা, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।” সালমানের মৃত্যুর পর থেকে পরিবারের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সামিরা, যা তিনি বরাবর অস্বীকার করেছেন। নতুন মামলা অনুযায়ী, সামিরা ও তার মা লতিফা হক লুসির সঙ্গে যোগাযোগের কোনো পথ এখনো পাওয়া যায়নি। সামিরা যে ফোন ব্যবহার করতেন তা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। অপরদিকে মামলার আরেক আসামি ডন হককেও কয়েকদিন ধরে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। নব্বই দশকের শুরুতে ঢালিউডে প্রবেশ করা সালমান শাহ মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবিতে অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ২৯ বছর পরও তাঁর নাম চলচ্চিত্রপ্রেমীদের স্মৃতিতে অম্লান। আদালতের নতুন নির্দেশ এবং মামলার পুনরুজ্জীবনের খবর প্রকাশের পর ভক্তদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সালমান শাহর সমর্থকরা এই হত্যাকাণ্ডের সত্য উদ্ঘাটনের অপেক্ষায় ছিলেন। |