| Headline |
|
এল ক্লাসিকোর উত্তেজনা: ইয়ামাল ও রিয়াল মাদ্রিদের সংঘর্ষ
|
|
ম্যাচ চলাকালীন প্রতিবার ইয়ামাল বল স্পর্শ করলে পুরো সান্তিয়াগো বার্নাব্যু উল্লসিত হৈচৈ করেছিল। ম্যাচ শেষে যা ঘটেছে, তা উত্তেজনার মাত্রা একেবারে সীমা ছাড়িয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে, তবে শেষ বাঁশির পর দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। রেফারি সিজার সোটো গ্রাদো শেষ মুহূর্তে বার্সেলোনার মিডফিল্ডার পেদ্রিককে লাল কার্ড দেখান। এ ছাড়াও রিয়ালের অরেলিয়েঁ চুয়ামেনিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এবং প্রথম হলুদ কার্ড ভিনিসিয়ুসকে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর ডাগআউটেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভিনিসিয়ুস প্রথমে বার্সার খেলোয়াড়দের সঙ্গে তর্কে জড়ান, এরপর ইয়ামালকে লক্ষ্য করে কার্ভাহাল ইশারায় কিছু বলেন। ইয়ামাল এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে থামান রিয়ালের মিডফিল্ডার এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। পরবর্তীতে দুই দলের অন্যান্য খেলোয়াড়ও সেখানে চলে আসেন এবং হাতাহাতি দেখা যায়। ভিনিসিয়ুস ইয়ামালকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “কী ব্যাপার! ব্যাক পাস ছাড়া আর কিছুই তো করিনি।” রেফারির প্রতিবেদন অনুযায়ী এই বিশৃঙ্খলার ঘটনায় মোট ছয় খেলোয়াড় হলুদ কার্ড এবং একজনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। হলুদ কার্ড পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ফেরান তোরেস, আলেহান্দ্রো বালদে, ফারমিন লোপেজ, রদ্রিগো এবং এদার মিলিতাও। রিয়ালের গোলরক্ষক আন্দ্রে লুনিনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। বার্সার মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ম্যাচ শেষে বলেন, “আমি পুরো ঘটনা দেখিনি, তখন বেঞ্চে ছিলাম। শুধু দেখলাম অনেক লোক জমেছে। রেফারির বাঁশি বাজানোর পর রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা ইয়ামালের দিকে এগোচ্ছে, এটা কিছুটা অতিরঞ্জিত হয়েছে।” এই ম্যাচে রাফিনিয়া ও রবার্ট লেভানডফস্কি অনুপস্থিত থাকায় ইয়ামাল পুরো ৯০ মিনিট একরকম ঘিরে রাখা হয়েছিল। তিনি মাত্র দুটি শট নেওয়া এবং দুটি সুযোগ তৈরি করতে পেরেছেন। |